সিলেট ২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:৫৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৯
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি : সিলেটের গোয়াইনঘাট সাব-রেজিষ্টার এক আতংকের নাম। একজন মহিলা কর্মকর্তা হয়ে টাকার প্রতি লোভ যেন তার মনুষতœকে হরন করেছে। বর্তমানে ওই অফিসে টাকা দিলে অনিয়ম হচ্ছে নিয়ম। সাধারণ মানুষ এ অফিসে দলিল রেজিস্টার করতে এসে প্রতিনিয়ত ভূক্তভোগী হচ্ছেন। আর নানা অজুহাতে গোয়াইনঘাট থেকে এ কর্মকর্তা প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানাযায় মিসেস সপ্না বেগম ২০১৭ সালের প্রথম দিকে গোয়াইনঘাটের সাব-রেজিষ্টার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন। দায়িত্ব গ্রহনের কিছু দিনের মধ্যে নানা অভিযোগ এনে গোয়াইনঘাট সাব-রেজিষ্টার অফিসের দলিল লেখক গন তাকে প্রত্যাহারের দাবী জানান। পরে স্হানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগীতায় দলিল লেখকগনের সাথে সমজতা হয়। মাস দু’য়েক পূর্বে মিসেস স্বপ্না একটি সন্তান প্রসব করেন। সন্তান জন্মের এক সপ্তাহ পের হতে না হতেই তিনি কর্মস্থলে যোগদান করেন। এবিষয় নিয়ে শুরুহয় পূরো উপজেলায় নানা গুনঞ্জন। পূনরায় তাকে প্রত্যাহারের দাবী ওঠে উপজেলার সর্বমহলে। এ ন্যক্কারজনক ঘঠনায় উপজেলায় নানা আলোচনা ও সমালোচনা করেন সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। এ বিষয়ের রেশ কাঠতে না কাঠতেই চলতি মাসের ১৬ তারিখ গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসনের সাথে মতবিনিময়ে বসেন সিলেট -৪ আসনের সংসদ সদস্য, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্হান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ। উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় সাব-রেজিষ্টারের খোজ নেন। এ সময় বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক সুভাস চন্দ্র পাল ছানা, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা লুৎফুল হকসহ উপস্থিত অনেকেই মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ণন করে বলেন সাব-রেজিষ্টার মিসেস সপ্না গোয়াইনঘাটে যোগদানের পর হতে অধ্যবদি পর্যন্ত নানা অনিয়ম করে চলেছেন। তিনি টাকা পেলে অনিয়মকে নিয়মে পরিনত করেন। এছাড়া টাকা না দিলে প্রয়োজনীয় সকল কাগজাদি থাকার পরও তিনি দলিল রেজিস্টার করেননা।মন্ত্রী মহোদয়কে আরোও জানান সন্তান জন্মদানের এক সপ্তাহের মধ্যে কি ভাবে এজলাসে ওঠলেন। প্রতিমন্ত্রী মহোদয় উপস্থিত সবাইকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছিলেন। সর্বশেষ ২৩ জানুয়ারি উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের শতাধিক ভূক্তভোগি সাব-রেজিষ্টার সপ্না বেগমের উপর নানা অভিযোগ এনে তাকে দ্রুত প্রত্যাহারের দাবী ও তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে স্বারক লিপি দেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd