সিলেট ২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
প্রকাশিত: ৫:০৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২, ২০১৯
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :: ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেয হলেও অজানা আতংক বিরাজ করছে গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত, ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী দিলদার হোসেন সেলিম বিপুল ভোটের ব্যবধানে আওয়ামীলীগ মনোনীত ও মহাজোট সমর্থিত প্রার্থী ইমরান আহমদের নিকট পরাজিত হন। দীর্ঘ এক যুগ থেকে দেশের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাহিরে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপি,জামায়াত ও ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীর মধ্যে আশার আলো জেগেছিল কিন্তু ফলাফল তাদের অনুকুলে আসেনি। ফলে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মী চোখে অন্ধকার দেখছেন। এছাড়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ উপজেলা বিএনপি,জামাতসহ প্রতিটি ইউনিয়ন বিএনপি,অঙ্গ সংগঠন,জামাত, অঙ্গ সংগঠন এবং ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের একটি তালিকা তৈরী করে। নির্বাচনের দুয়েক দিন পূর্বে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক শাহ আলম স্বপনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সিলেট জেলা বিএনপির সদস্য জসিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জেলা পরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম শাহপরান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদিন,ইউপি চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহাল,মাহবুব আহমদ,খালেদ আহমদসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মামলায় আসামি করে থানা পুলিশ।
অপর দিকে ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি,জামায়াত নেতাকর্মীর মধ্যে পৃথক সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। আহতদের সংখ্য আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও নৌকা সমর্থকই বেশি। নির্বাচনের পরের দিন ৩১ ডিসেম্বর ইমরান আহমদ এমপি গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের দেখতে যান। এ সময় গোয়াইনঘাট থানা পুলিশকে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন। নির্বাচনের দিনের ঘটনায় বিভিন্ন জন বাদী হয়ে কয়েক শতাধিক বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আসামি করে গোয়াইনঘাট থানায় ৬ টি মামলা রুজু করা হয়েছে। আরো বেশ কয়েকটি মামলা প্রক্রিয়াদিন রয়েছে বলে জানিয়েছেন গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল জলিল।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd