সিলেট ২৬শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ২:৩০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৮
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী অগ্রাধিকার প্রকল্পে জমি আছে ঘর নেই প্রকল্পে ২৩৪টি ঘর তৈরী কাজে নিম্ন মানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগ উপজেলা প্রকল্প অফিসের নিয়োগকৃত ঠিকাদার ও উপজেলা প্রকল্প বাস্থবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। প্রকল্প অফিসের সাথে যোগ সাজোসে ঠিকাদার ইচ্ছে মত নিম্ন মানের নির্মান সামগ্রী ব্যবহার করে তৈরী করছে আর এ সবকিছু তৈরী করা হচ্ছে উপজেলা পরিষদ ভবন ও উপজেলা ত্রাণ অফিসের সামনেই। কিন্তু সবার সামনেই হচ্ছে এই গুরুত্বপূর্ন কাজের অনিয়ম। যেন দেখার কেউ নেই।
জানা যায়,প্রধানমন্ত্রী অগ্রাধিকার প্রকল্পে যাদের জমি আছে ঘর নেই এদের মধ্যে থেকে তাহিরপুর উপজেলা ৭টি ইউনিয়নে ভিবিন্ন গ্রাম থেকে ২৩৪জনের নাম তালিকা ভুক্তি করে উপজেলা ত্রান অফিস। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যায় ধরা হয় ১লক্ষ টাকা। সে হিসেবে ২৩৪টি ঘরের নির্মাণ মূল্য ২কোটি ৩৪লক্ষ টাকা। নিমার্ন সামগ্রীর পিলার,স্যানেটারী রিং ও,কাটের চালা ও দরজা জানালা তৈরী হচ্ছে এক বারেই নিন্ম মানের উপকরন দিয়ে। আর এই কাজের সাথে উপজেলার সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ দূর্নীতি করায় সরকারের সুনাম পরির্বতিতে শুরুতেই দূর্নামে পরিনত হচ্ছে। তাই ক্ষোব প্রকাশ করে স্থানীয় জনসাধারন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষে অনিয়ম আর দূনীতির রাগাম টেনে ধরার জন্য গুরুত্ব সহকারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার দাবী তুলেছেন।
উপজেলা ঘুরে দেখা যায়,উপজেলা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা মাঠে নির্মান করা হচ্ছে ঘর তৈরীর পিলার যাতে ব্যবহার করা হচ্ছে বালি ও কাদা মাটি মিশ্রিত সিংগেল পাথর। সেই সাথে সিমেন্টর পরিমান দেয়া হচ্ছে কম। আর উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে নির্মান করা হচ্ছে স্যানেটারী রিং। সে সময় চোখে পড়ে রিং তৈরীর সময় জিআই তা ব্যবহার করছেন মিস্ত্রি। তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,রিং কোন বিষয় না,উপর দিয়ে একটু ভাল করে সিমেন্ট দিয়ে দিলেই হল। এবং তিনি তখন এ প্রতিবেদকের উপস্তিতিতে তাই করলেন। একই অবস্থা বিরাজমান কাটের নির্মান কাজেও। অপেক্ষাকৃত কম মূল্যের কাট দিয়ে নির্মান করা হচ্ছে ঘরের চালা ও দরজা জানালা।
খোঁজ নিয়ে জানা,মৌ স্যানেটারী এন্টারপ্রাইজ(বগুড়া)কে চুক্তিভিত্তিতে এ কাজ দিয়ে দেয় উপজেলা ত্রাণ অফিস। স্থানীয়দের অভিযোগ গোপনে এরকম চুক্তিতে কাজ দেয়ার ফলেই উপজেলা ত্রাণ অফিসের সাথে যোগ সাজেসে ইচ্ছেমত নি¤œমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে জমি আছে ঘর নেই প্রকল্পের নির্মান সামগ্রীর নির্মাণ করছে ঠিকাদার।
এ বিষয়ে মৌ স্যানেটারী এন্টারপ্রাইজ (বগুড়া) এর মালিক ও কাজের ঠিকাদার লাল মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,স্থানীয় তাহিরপুর সদর বাজারে কয়েল না পেয়ে তার মিস্ত্রিরা কিছু রিং তৈরী করার সময় জিআই তার ব্যবহার করেছে। তাছাড়া ঘর তৈরীর কাঠ ও আনুসাঙ্গিক কিছু নির্মান সামগ্রী পিআই অফিসের ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সাহেব কিনে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুব্রত দাস এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,কাজ কোন প্রকার অনিয়ম হচ্ছে না ডিজাইন অনুযায়ী করা হচ্ছে। তবে কয়েলের পরিবর্তে জিআই তার ব্যবহারের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে গেছেন।
তবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ণ কর্মকর্তা মিলন কান্তি রায় বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন,কাজে কোন রূপ ত্রæটি যেন না থাকে সে লক্ষে উপজেলা কমপ্লেক্সের ভেতর কাজ করানো হচ্ছে। একলক্ষ টাকা দিয়ে বাড়ি তৈরী করা যায় না। তারপরও সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd