সিলেট ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৯:২৫ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
মোঃ রায়হান হোসেন: সিলেটের জাফলংয়ে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে ৯ জন শ্রমিক আটক হয়েছেন। অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল অবৈধ বা অননুমোদিত কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ মনে করছেন, মাহমুদ ও মানিকের আগ্রাসনে লন্ডভন্ড হচ্ছে জাফলং অথচ তাদের আড়াল করে শ্রমিকদের ওপর অতিরিক্ত কঠোরতা করা হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান সুষ্ঠু ও মানবিকভাবে পরিচালিত হবে, যাতে সাধারণ শ্রমিকদের স্বাভাবিক জীবনে খুব বেশি ব্যাঘাত না ঘটে।
অভিযান সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারী) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জাফলং, জুমপাড় ও বল্লাঘাটে অভিযান হয়েছে। এসময় গোয়াইনঘাট সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর ফারুকের নেতৃত্বে ৯ জনকে আটক ও প্রায় ৫৫ হাজার ঘনফুট বালু জব্দসহ অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত আনুমানিক ৮০-৯০টি বারকি নৌকা এবং ১৫টি ইঞ্জিন চালিত নৌকা বিনষ্ট করা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবেশ ও নদী রক্ষায় এ ধরনের অভিযান আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ পন্থায় বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে অথচ পুলিশি মদদে মাহমুদ ও কালো মানিকের আগ্রাসনে লন্ডভন্ড জাফলং বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
অভিযোগ উঠেছে, এই অবৈধ কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্ন করতে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট মাঠ পর্যায়ে সক্রিয়। পুলিশের নাম ভাঙিয়ে প্রতিটি বালুবাহী ট্রাক ও নৌকা থেকে দৈনিক লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে মাহমুদ ও কালা মানিক চক্র।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের দাবি, পুলিশের কথিত এই ‘মাসোহারা’ বাণিজ্যের কারণেই প্রশাসন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। “বালু খেকোদের পকেট ভরতে গিয়ে আমাদের সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। প্রশাসন যেন নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে। আমরা এই ধ্বংসলীলা থেকে মুক্তি চাই।”
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd