সিলেট ২৬শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ২:৩৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ২২, ২০২৪
নিজস্ব প্রতিনিধি: সিলেট এয়ারপোর্ট থানার আম্বরখানা স্থিত মল্লিকা, গোয়াইটুলার আর.টি. কনফেকশনারীর পিছন থেকে জাহাঙ্গীর হোসেন নামের একজনের মৃত দেহ সিলেট এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় অদ্য তারিখ ভোরে স্থানীয় মুসল্লিরা ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার পথে আর.টি কনফেকশনারির পিছনে রক্তাক্ত অবস্থায় মৃত দেহটি দখতে পায়। পরে স্থানীয় এয়ারপোর্ট থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মৃত দেহটি উদ্ধার করে। এলাকাবাসী জানান যে, বিএনপি নেতা দুলাল আহমদ এর ছোট ভাই মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন। সে নিজে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো।
স্থানীয় প্রভাব বিস্তার ও দলীয় কোন্দলের কারণে বহুদিন ধরে বেশ কিছু ব্যবসায়ীদের এবং দলীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে শত্রুতা তৈরী হয়। তারই জেরে এই হত্যাকান্ডটি ঘটেছে বলে ধারণা করেছেন স্থানীয়রা। জাহাঙ্গীর হোসেনের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানান বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীদের অবৈধ ব্যবসায় জাহাঙ্গীর হোসেন বাধা প্রদান করায় তাহারা তার শত্রু হয়। জাহাঙ্গীরের কারণে তাদের অবৈধ ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। এই শত্রুতার কারণেই তারা তাকে রাতের আধারে হত্যা করে।
এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ কর্মকর্তা মিনহাজুর রহমান চৌধুরী জানান নিহতের পরিবার হেলাল মিয়া, রাজু আহমদ, জায়েদ আহমদ, ফরহাদ আহমদ মাসুম ও লায়েক উদ্দিন সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন কে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যাহা এয়ারপোর্ট থানার মামলা নং-২৫, তারিখ: ২১/০৩/২০২৪ ইং, ধারা: ৩০২/৩৪ দন্ডবিধি। তিনি জানান হত্যাকান্ডে জড়িত আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসবেন।
এদিকে আজ বিকেলে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা জাহাঙ্গীর হোসেন কে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে
প্রতিপক্ষ দলের সদস্যরা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে বলিয়া সিলেট শহীদ মিনারে মানবন্ধন করে। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে জাহাঙ্গীর হোসেনের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে স্মারকলিপি জমা দেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd