সিলেট ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৮শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১২:২১ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১৮, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার কেড়িনগর গ্রামের এক কলেজছাত্রী অগ্নিদগ্ধের ঘটনায় মহম্মদপুর থানায় মামলা হয়েছে। অগ্নিদগ্ধ ছাত্রীর দাদা মো. রতন আলী বাদী হয়ে সোমবার ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত তিনজনের নামে এ মামলা দায়ের করেন। অগ্নিদগ্ধ ওই ছাত্রী এখন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউট হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। এ ঘঠনায় ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এদিকে অগ্নিসংযোগের বিষয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
আকলিমা তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নাজমুল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং এসিড ছোড়া ও আগুনে পোড়ানোর হুমকি দিতে থাকে। বিষয়টি আকলিমা তার পরিবারকে জানায়। এরই মধ্যে গত শনিবার বিকালে ওই ছাত্রী বাথরুমে যাওয়ার সময় ওতপেতে থাকা নাজমুলের লোকজন আকলিমার ব্যবহৃত ওড়না দিয়ে তার বিভিন্ন স্থানে বাঁধে এবং ডিজেল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। আগুনে আকলিমার শরীরে বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়। তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মাগুরা সদর হাসপাতালে এবং পরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সরেজমিন গেলে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া যায়। মামলার প্রধান আসামির চাচি ও স্বজনরা বলেন, নাজমুল মরতে রাজি কিন্তু ওই মেয়েকে ছাড়া আর কাউকে বিয়ে করবে না। মেয়েও তার কাছে দুই বছরের সময় চেয়েছিল। তিন চার দিন আগে নাজমুল গ্রাম্য মাতবরদের ডেকে আনে এবং ওই মেয়েকে চায়। মেয়ের পরিবার তাকে দিতে রাজি হয়নি। এদিকে মেয়েকে অন্য ছেলের সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য ছেলে দেখছে তার পরিবার। মেয়েটিও অন্য কোথাও যাবে না বলেই আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়।
মহম্মদপুর থানার ওসি তারক বিশ্বাস বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। মামালার ৫ জন আসামিকে আটক করা হয়েছে। তবে ঘটনা নিয়ে দ্বিমুখী বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। রহস্যের কারণে গভীর তদন্তের প্রয়োজন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd