সিলেট ২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৭ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৩:৫৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৪, ২০২০
শাহজাহান রাজু, জাফলং :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ের মামার বাজার এলাকায় গড়ে উঠেছে যত্রতত্র পতিতালয়।ধ্বংসের পথে এখানকার যুবসমাজ।
জানা গেছে, জাফলংয়ের মামার বাজার এলাকায় কলোনী অবস্তান করছে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার মাজেদা বেগম নামের এক নারী। সে ওই এলাকায় দীর্ঘ দিন থেকে পতিতাবৃত্তি চালিয়ে যাচ্ছে। পতিতা সরদার মাজেদা বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা অসহায় দারিদ্র মেয়েদের এই অসমাজিক কাজে লিপ্ত করে। পতিতা ব্যবসার পাশাপাশি প্রতিদিন মাজেদার আস্তানায় মাদক ও জুয়ার আসর বসছে।
যার ফলে জাফলং মামারবাজার এলাকা সহ স্থানীয় আঁশে পাশের এলাকার উঠতি বয়সের ছেলেরা মাদক ও পতিতাবৃত্তে আসক্ত হচ্ছে এবং এই ছেলেদের পরিবারে প্রতিনিয়ত বাড়ছে পারিবারিক কলহ।
পতিতা সরদার মাজেদার এই অসমাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ও সচেতন মহল কেউই এর প্রতিবাদ করছেনা। সবাই নিরব ভূমিকা পালন করছে। বিধায় দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অসমাজিকতা।
মাজেদার প্রতিবেশী মোঃ জামাল মিয়া জানান, এই নারী দীর্ঘ দিন থেকে পতিতা, জুয়া ও মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি একা প্রতিবাদ করে কোনো রকম সুফল পাচ্ছেন না, বরং মাজেদার গড়ে তুলা টিকটক বাহিনীর হুমকি দামকির মধ্য দিয়ে অতৃষ্টে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবন যাপন করছেন জামাল।
একই এলাকার বাসিন্ধা কহিনুর বেগম জানান, স্থানীয় বন্ধন সমাজ কল্যাণ যুব সংঘ কয়েকবার, গন্যমান্য মুরুব্বী ও যুব সমাজ নিয়ে মাজেদার বাড়িতে গিয়ে মাজেদাকে এসব বন্ধ করার আহবান জানান, এবং ভালো পথে আসার জন্য দাওয়াত করেন, বরং কিছুদিন দেহ ব্যবসা বন্ধ করে, পূর্ণরায় প্রশাসনের দোহাই দিয়ে আবারো দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরীব অসহায় পরিবারের মেয়েদের কাজ দেওয়ার কথা ও মোটা অংকের টাকার লোভ দেখিয়ে, জোড় পূর্বক রুমে আটকিয়ে ক্রমাশয়ে তার ইজ্জত হনন করে পতিতাবৃক্তে আবদ্ধ করা হয়।
আল মামুন নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, আমি দীর্ঘ দিন থেকে এই অবৈধ ব্যবসা বন্ধের জন্য চাপ দিতে থাকি, কিন্তু বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে মাজেদা আমাকে কিনতে চায়, বিভিন্ন জনকে দিয়ে প্রস্তাব পাঠায়, যত টাকা লাগে আমাকে দিবে, আমি যাতে এই অবৈধ ব্যবসা দেখেও না দেখার অভিনয় করি, কিন্তু আমি একজন শিক্ষিত লোক, আমি কোনদিন এই অবৈধ টাকার প্রতি লোভ করি না। ইত্যিমধ্যেই আমরা মহল্লা বাসী এক হয়ে এই মহিলাকে উচ্ছেদ করার জন্য পরিকল্পনা করি, এলাকার যুব সমাজকে রক্ষা করার জন্য। কিন্তু বেপরোয়া মাজেদা এমনই ভয়ানক মহিলা,উপস্থিত হাজারো লোকের সমাগমের মধ্যেই নিজের কাপড় খুলে উলঙ্গ হয়ে যায়। লোক লজ্জার ভয়ে প্রতিবাদ কারী সাধারন জনতা সম্মানের ভয়ে নিরবতা পালন করে উক্ত স্থান ত্যাগ করেন। ইত্যিমধ্যেই প্রতিবাদ কারী কয়েকজনের নামে নারী নির্যাতন নামক মিথ্যা মামলা দিয়ে হস্তনস্ত করেছেন,যার ফলে কেউ আর প্রতিবাদ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন না।
একই সঙ্গে যুব সমাজকে মাজেদার মাদক ও পতিতাবৃক্তের কালো ছুবল থেকে রক্ষার জন্য স্থানীয় গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও গোয়াইনঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ সহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ করেন এলাকার সর্বস্তরের ভোক্তভোগী’রা।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd