ছাতকে কিশোরীকে অপহরন, মূলহোতা কামাল উদ্দিন সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত: ১২:১২ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০২০

ছাতকে কিশোরীকে অপহরন, মূলহোতা কামাল উদ্দিন সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Manual8 Ad Code

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতকে হুমায়ারা বেগম নামে এক কিশোকে অপহরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের করছখালী গ্রামের ভিকটিমের পিতা দুদু মিয়া বাদী হয়ে গত রোববার ( ১৯ জুলাই) ছাতক থানায় মামলা নং-২৫ দায়ের করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩ এর ৭/৩০ মামলাটি রুজু করা হয়।
এতে একই ইউনিয়নের খাইরগাঁও গ্রামের মৃত. কলমদর আলির ছেলে কামাল উদ্দিন (২৫), জামাল উদ্দিন (২২), নিজাম উদ্দিন (৪৫), পুরান লম্বাহাটি (হাসনাবাদ) গ্রামের চান্দ আলীর ছেলে বিল্লাল মিয়া (৩৫), ও আরো ২-৩ জনকে অজ্ঞাত নামা আসামী করা হয়।
স্থানীয় ও অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের এলঙ্গি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী হুমায়ারা বেগম। অপহরনকারী কামাল উদ্দিন একজন সিএনজি চালক। সে ভিকটিমের পিছু নেয় এবং বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথে খারাপ অঙ্গভঙ্গীসহ ভিকটিমকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিষয়টি ভিকটিম তার পিতা দুদু মিয়াকে অবগত করেন। দুদু মিয়া এ বিষয়টি জামাল উদ্দিন, নিজাম উদ্দিনসহ অন্যান্য আসামীদের অবগত করেন। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৩ জুন দিবাগত রাত করছখালী গ্রামে ভিকটিমের নিজ বসতবাড়ী থেকে ভিকটিমকে অপহরন করে নিয়ে যায় কামাল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, কালালুকা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে হুমায়ারা বেমের জন্ম সনদ নিবন্ধতিত করা হয়। ওই জন্ম সনদে ৩০.০৮.২০০৩ ইং ভিকটিমের জন্ম তারিখ রয়েছে। অপদিকে এলঙ্গি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বোর্ড কতৃক রেজিষ্ট্রিশন কার্ডেও দেখা যায় ৩০.০৮.২০০৩ ইং ভিকটিমের জন্ম তারিখ দেওয়া আছে।
অভিযোগ উঠেছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছাতক থানার এসআই লিটন চন্দ্র অদৃশ্য কারনে ভিকটিমকে উদ্ধার ও অপহরনকারীদের গ্রেফতারে কার্যত পদক্ষেপ নিচ্ছেননা ।

এ বিষয়ে এলঙ্গি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম বলেন, হুমায়ারা বেগম বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী। শুনেছি তাকে অপহরন করা হয়েছে।
ভিকটিমের পিতা দুদু মিয়া বলেন, আমার অবুঝ কিশোরী মেয়ের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে অপহরন করে নিয়ে গেছে কামাল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা। মেয়ে হুমায়রা বেগমকে ফিরে পেতে ও অপহরন কারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির জন্য জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জ, পুলিশ সুপার সুনামগঞ্জ ও ওসি ছাতক থানা হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

Manual6 Ad Code

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছাতক থানার এস আই লিটন চন্দ্র বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
ছাতক থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মঈন উদ্দিন বলেন, কিশোরী অপহরন ঘটনায় উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..