ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : এসএমপির জালালাবাদ থানার এএসআই ইয়াছমীন বেগমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের প্রভাব খাটিয়ে আত্মীয়স্বজনদের সাথে অসদাচরণ, মিথ্যা মামলায় ঢুকিয়ে হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন তার আত্মীয়স্বজনরা। এসব ঘটনায় এএসআই ইয়াছমীন বেগমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আজ মঙ্গলবার এসএমপির পুলিশ কমিশনার বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন পাইকারগাও এলাকাবাসী।
অভিযোগে তারা উলেখ করেন, গত ২৮ জুন রাতে প্রচুর বৃষ্টি দেওয়ার কারনে পাইকার গ্রামের মো. লিয়াকত আলী ঘরে পানি ঢুকে যায়। এসময় তাদের বাড়ি বড় চাচা মুরব্বি হাশিদ আলীকে জানান। তখন রাস্তার পাশে নালা কুদাল দিয়ে পরিস্কার করে দেওয়ার জন্য বলেন হাশিদ আলী। নালা পরিস্কার করতে গেলে লিয়াকত আলীর চাচাতো বোন এএসআই ইয়াছমীন ও তার মা রুশনা বেগম ঘটনাস্থলে আসেন এবং নালার মাটি কেটে পরিস্কার না করার জন্য বলেন। ওই দিন রাত ৯টায় ইয়াছমীন ও তার স্বামী সুয়েব আহমদ এসে আবার নালা কাটলে মিথ্যা মামলায় ঢুকিয়ে দেওয়ার ভয় দেখান। ঘরের দরজায় লাত্থি মেরে হুমকি দেন। এরপর ইয়াছমীনের মা রুশনা বেগম নানা মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এছাড়াও পাইকারগাও গ্রামের জামে মসজিদের জমি পঞ্চায়েতের লোকজন চাষ করতে বাধা সৃষ্টি করে ইয়াছমীনের ভাই জাহাঙ্গীর। পুলিশী প্রভাব কাটিয়ে মিথ্যা মামলায় জেলে ঢুকানোর ভয় দেখায়। এসব ঘটনার বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এ অভিযোগ দায়ের করা হয়।
এ বিষয়ে এএসআই ইয়াসমীন বলেন, ঘটনার দিন আমি জালালাবাদ থানার ডিউটি অফিসার ছিলাম। সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ডিউটি করি। এরমধ্যে ঘটনাটি জানার পর ওসি স্যারের নির্দেশে পুলিশের টহলটিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাদেরকে থানায় ডাকা হয়েছিল। কিন্তু না এসে মেম্বারকে পাঠিয়েছে। তারা সঠিক পন্থায় না থাকায় পাশ কাটিয়ে পুলিশ কমিশনারের কাছে একটি অভিযোগ দিয়েছে। আমি আশাবাদি অভিযোগটি তদন্ত হলে সত্যতা বেরিয়ে আসবে।