সিলেট ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১১ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৮:২৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০১৯
স্টাফ রিপোর্টার :: ক্রাইম সিলেট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় রেখা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢাকার নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর। গত (৬ জানুয়ারি) সিলেটে সরেজমিন তদন্তে আসে ওই তদন্ত টিম।
“ওসমানী হাসপাতালের মূর্তিমান আতংক নার্স রেখা বণিক : অভিযোগের অন্তঃনেই ” এমন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয় রেখার বিরুদ্ধে।
সিলেটের ওসমানী হাসপাতালের প্রায় ৩ শ নার্স একজন নার্সের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। অভিযুক্ত এই নার্সের নাম রেখা রানী বণিক। তিনি ওসমানী হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে সকল নার্সের দায়িত্ব বন্টন করে দেন। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে টাকা ছাড়া নার্সদের বদলির ছাড়পত্র না দেওয়া, নার্সদের কাছ থেকে অযৌক্তিক চাঁদার টাকা তুলে আত্মসাৎ, ঘুষ নিয়ে নার্সদের ডিউটি ফাঁকি দেওয়ানোসহ নানা অভিযোগ।
তদন্তকালীন সময়ে রেখার বিরুদ্ধে অথিতের যে সকল অভিযোগ তোলে ধরেন , সিনিয়র স্টাফ নার্স রেখা রাণী বনিক সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত। হাপাতালে যোগদানের পর থেকে তিনি তাঁর সহযোগীদের নিয়ে একটি ‘অরাজক’ সিন্ডিকেট তৈরি করেন। রেখা বণিক স্টাফ নার্স হলেও কার্যত তিনিই নার্সিং বিভাগের সুপারভাইজার। নার্সদের ইউনিফর্ম না পরেই তিন সবসময় সুপারভাইজারের কক্ষে বসে থাকেন। সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই সুপারভাইজারের দায়িত্বই পালন করেন তিনি। টাকার বিনিময়ে ইচ্ছেমতো ডিউটি বণ্টন, বদলি, ছুটি, প্রশিক্ষণ, প্রেষণ সব কিছুই করে থাকেন।
অভিযোগ রয়েছে, ডিউটিরত স্টাফনার্সদের কাছ থেকে ওয়ার্ড ভেদে ৫ হাজার থেকে শুরু করে মাসে ২০হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়মিত মাসোহারা গ্রহণ করে থাকেন। মাসোহারা দিতে না পারলে টানা নাইট ডিউটিসহ একাকী ডিউটি করতে হয় নিরীহ স্টাফ নার্সদের। প্রশিক্ষণ বা বদলি চিঠি এলে টাকার বিনিময়ে ছাড়পত্র দেন তিনি। টাকা না দিলে ছাড়পত্র দেয়া হয় না।
নার্সিং ও মিডওয়াইফারী অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) তন্দ্রা শিকদারকে অভিনন্দন জানিয়ে ক্রাইম সিলেটের সম্পাদক আবুল হোসেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd