সিলেট ২৬শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৫:০৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৭, ২০১৮
জাবেদ এমরান :: সিলেট নগরীর ধোপাদিঘীরপাড় এলাকার সন্ধ্যাবাজারস্থ মার্কেটে গত ২ এপ্রিল সিলেট সিটিকরপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ‘নিষিদ্ধ পল্লী’ থেকে ৬ পতিতা ও দুই হোটেল কর্মচারীকে আটক করে পুলিশ। সে সময় উদ্ধার করা হয় ভারতীয় তীর খেলার সরঞ্জাম, নগদ টাকা, দেশীয় অস্ত্র। অপরাধ জগতের আস্থানা ধ্বংসের পর ফের সম্প্রতি আবারো ওইসব স্থানে অপরাধের ডালপালা গাঁজিয়ে উঠতে শুরু করেছে।
ফুটপাতে বসা হকারদের কাছ থেকে ফাঁড়ি পুলিশের নামে টাকা আদায়কারী ও পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত ডালিম নামের এক ব্যক্তি সন্ধ্যাবাজারের পাশে পানের দোকান দিয়ে প্রকাশ্যে তীর জুয়ার বোর্ড বসিয়ে করছে রমরমা জুয়ার ব্যবসা। ডালিমের তীর জুয়ার সহযোগী হিসেবে কাজ করছে পান দোকানদার মাসুক, জামাল, সুমন ও দিলু। কিছুদিন পূর্বে তীরের এই বোর্ড থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে আগের পান দোকানদার মাসুক, জামাল ও কালামকে। জামিনে দু’জন বের হলেও কালাম এখনো জেলে রয়েছে। আর চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ি হিসেবে দিলুর নাম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকায় রয়েছে। শাহপরান থানা পুলিশের হাতে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ ধরা পরে বর্তমানে সে জামিনে আছে।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, পুলিশের সোর্সের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ডালিম মেয়র আরিফের উচ্ছেদ অভিযানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পুলিশের নাকের ডগায় তীর জুয়ার বোর্ড বসিয়ে ব্যবসা করছে। ডালিম পুলিশের কাছের লোক হওয়ায় নেই কোনো প্রকার আইনি বাঁধা বিপত্তি। ট্রহল পুলিশ স্পর্টে গেলে তাদের আপ্যায়ন করে বিদায় দেয়া হয়।
এদিকে পত্রিকায় প্রকাশ না করতে কয়েকজন সাংবাদিকের অফিসারকেও ‘সাপ্তাহ’ দিয়ে মুখ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে। কোনো এক মন্ত্র বলে র্যাব পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাদক বিরোধী অভিযানের বাহিরে রয়েছে ডালিমের তীর জুয়ার স্পর্ট। এমনটি মনে করছেন স্থানীও ব্যবসায়িরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যবসায়ি বলেন, তীর জুয়ার ডে-নাইট খেলায় নি:শ্ব হচ্ছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ ও তরুণ সমাজ। তবে অপরাধ জগতের বাসিন্দাদের পদচারনায় মুখরিত থাকে জুয়ার আসর। জুয়ার টাকা জোগার করতে বিপদগামী যুবকরা জড়িয়ে পড়ছে ছিনতাইসহ নানা অপরাধে। ফলে দিনদিন নগরে বাড়ছে ছিনতাইর ঘটনা।
এ ব্যপারে কথা হয় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়ার সাথে। তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, কোন অপরাধীকে ছাঁড় দেয়ার কিছু নেই। অপরাধী যেই হোক তার বিরোদ্ধে আইনি ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd