সিলেট ২৬শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:৫৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৬, ২০১৮
স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ থানা এলাকায় ওয়াজ-মাহফিল নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে কওমী ও ফুলতলী মতাদর্শের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে শাকির খা (৩২) নামে একজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে থানার কালারুকা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে নিহত সাকির খা (৩৩) পুরান কালারুকা গ্রামের প্রয়াত বাবুল খানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- কালারুকা গ্রামে সম্প্রতি ফুলতলী অনুসারী একটি মাদরাসার ওয়াজ মাহফিলে হামলা চালিয়ে মাদ্রাসা ভাঙচুর করে কওমি অনুসারীরা। এতে মাদ্রাসা ছাত্র আহতসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে গত কয়েকদিন থেকে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বিষয়টি সমাধানে সিলেটের জেলা প্রশাসক উভয় পক্ষকে ডেকে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ মধ্যস্থতায় নিয়ে আসেন।
সে সময় জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনফর আলী মাদ্রাসায় হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষয়ক্ষতি প্রদানের আশ্বাস দেন। কিন্তু মাসখানেক সময় অতিক্রম হওয়ার পরেও তিনি বিষয়টি সুরাহা না করায় বুধবার (০৫ ডিসেম্বর) বাদাঘাটে কালারুকা গ্রামের কয়েকটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা আটক করা হয়।
পরে শিবেরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই অঞ্জন ও অটোরিকশা স্ট্যান্ডের চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় অটোরিকশাগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়। এর জের ধরে কালারুকা গ্রামে গিয়ে ফুলতলী অনুসারী পক্ষের দু’জনকে ধরে নিয়ে যায় কওমি পক্ষের লোকজন। পরে তাদেরকে সন্ধ্যায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
এর জের ধরে বৃহস্পতিবার (০৬ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় কওমি পক্ষের শাকির খা’র উপর হামলা চালানো হয়। হামলায় গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে শাকিরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে কওমি পক্ষের লোকজন ফুলতলী অনুসারীদের উপর হামলা চালায়। এতে আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
শিবেরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই অঞ্জন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান গ্রামের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd