সিলেট ২৬শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৮:৫৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৬, ২০১৮
স্টাফ রিপোর্টার :: উদাসী পিংকি নামের কথিত বাউল শিল্পী পিংকি (৩০) শেষমেষ তাজ উদ্দিনের ঘরে থেকে নতুন বর খোঁজছে পিংকি। পিংকির প্রেমে পড়ে সব কিছু হারিয়ে এখন রাস্তায় বসার পথে তাজ উদ্দিন। বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের পাটাখইন গ্রামের আমরুজ আলীর পূত্র তাজ উদ্দিন। পিংকির প্রেমে মঘœ হয়ে সোনা-গহনা,টাকা কড়ি সবকিছু খোয়ালেন। মনের মনি কোটা দিয়ে তাকে ভালবাসলেও সে ভালবাসা টিকেনি কিছুদিন। বহুগমী প্রেম ও বিয়ে ব্যবসায়ী পিংকি এবার খোঁজছে নতুন বর। পাতিয়েছে আবার প্রেম ও রূপ যৌলুসের ফাঁদ। এনিয়ে পাঁচ এর অধিক প্রেম ও বিয়ে বাণিজ্যের তথ্য পাওয়া গেছে কথিত বাউল শিল্পী পিংকির।
জানা যায়, তাজ উদ্দিন ওসমানীনগর ইসবপুর গ্রামে বিয়ে করেন বিয়ে পর তাদের সংসারে সন্তানাদি রয়েছে। সব মিলিয়ে তাদের সংসার ভাল চলছিল কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই কথিত বাউল শিল্পী পিংকি। তাজ উদ্দিন ছিলেন একজন নোহা চালক তিনি স্ত্রী-সন্তান,বাবা,মা ও ভাই-বোনকে নিয়ে ভাল ভাবে চলছিল। পিংকির প্রেমে পড়ে স্ত্রী তাকে ছেড়ে পিত্রালয়ে চলে যায় শুরু হয় তাজ উদ্দিনের জীবনের কষ্ট। কিছুদিন তাজ উদ্দিনকে যেতে না যেতেই মোহনারা ও সোনা গহনাসহ মোটা অংকের টাকা আত্মসাত করে তাকে ছুড়ে ফেলে।
সাবেক স্বামী সুমন জানান, বাউল উদাসী পিংকি নামেই তার সর্বত্র পদচারনা। একাধিক ভয়েস স্টুডিওতে গিয়ে বাউল রেকর্ড করে থাকে সে। তার মা জুলেখা বেগম, শিল্পী দুঃখিনী জুলেখা নামে মায়ের পরিচিতি। শিল্পী নামের আড়ালে দেহবানিজ্য ও বিয়ে ব্যবসাই পিংকিদের মূল পেশা। একটু-আধটু গান রেকর্ড করিয়ে শিল্পী নাম লাগিয়ে যুবদের আকর্ষন সৃষ্টি অতঃপর বিয়ে। প্রতারনার মাধ্যমে মোহরানা ও সোনা গহনাসহ টাকা আত্মসাত।
পিংকি বাংলাভাষী যুবমহিলা হলেও তার বাড়িঘরের কোন ঠিক-ঠিকানা নেই। একেক সময় একেক নামে নিজেকে কুমারী ও শিল্পী সাজিয়ে বিয়ে করে ধনাঢ্য পরিবারের যুবদের। পিংকী বর্তমানে বিশ্বনাথের তাজ উদ্দিনের হেফাজতে তার স্ত্রী পরিচয়ে দিনাতিপাত করছে। তবে এর আগে বিয়ের ফাদে ফেলে অসংখ্য ছেলেদের সর্বস্বান্ত করে ছেড়েছে সে। তার এ বিয়ে বানিজ্য ও প্রতারনার প্রধান সহযোগী তার খালা পরিচয়ের জনৈকা পিয়ারা বেগম। পিয়ারা বেগমই বিয়ে পাগল ছেলেদের ফাদে ফেলতে ভুমিকা রাখেন। গান ও দেহযৌলুস দেখিয়ে পিংকি এ পর্যন্ত কতবার বিয়ের পিড়িতে বসেছে তার কোন ইায়ত্তা নেই। এ পর্যন্ত কয়েকটি বিয়ে প্রতারনার খোঁজ মিলেছে তার।
সিলেটের কানাইঘাটের আব্দুল মান্নান নামের এক ছেলেকে ফাদে ফেলে বিয়ে করে পিংকি। কিছুদিন যেতে না যেতেই মোহনারা ও সোনা গহনাসহ মোটা অংকের টাকা আত্মসাত করে তাকে ছুড়ে ফেলে চলে যায় গোলাপগঞ্জের সুমন আহমদের কোলে। সুমনের টাকাকড়ি ও অর্থসম্পদ নিয়ে আবার চম্পট দেয় পিংকি। বাগিয়ে নেয় জগন্নাথপুরের জুবায়েরকে। জুবায়েরকে খেয়ে কিছুদিন পর চলে যায় দক্ষিণ সুরমার মুরাদপুরের কবির আহমদের কোলে। কবিরকে খেয়ে জৈন্তাপুরের দেলোয়ারকে ফেলে বিয়ের ফাঁদে। দেলোয়ারকে ছুড়ে ফেলে বর্তমানে সে বিশ্বনাথের তাজ উদ্দিনের সাথে আছে ।
যুবখেকো পিংকি প্রত্যেকবারাই নিজেকে কুমারী ও শিল্পী সাজিয়ে যুবদের প্রতারনার ফাদে ফেলে থাকে বলে অভিযোগে প্রকাশ। বহুরূপী প্রতারক ও যুবখেকো পিংকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে ভোক্তভোগীরা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কজর্তৃপক্ষের আশু পদক্ষেপ কামনা করেচেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd