সিলেট ২৬শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৩:২২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০১৮
বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথে সুলতান মিয়া (২৮) নামের এক ইটভাটার শ্রমিকের দ্বি-খন্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার ভোরে উপজেলার রামপাশা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের (পেট্টোল পাম্পের উত্তর পার্শ্বে) ইসরাব আলীর বাড়ির সামনে বিশ্বনাথ-রামপাশা সড়কের উপর মস্তকবিহীন সুলতানের দেহ ও সড়কের পাশের বাঁশঝাড়ে ক্ষত-বিক্ষত মাথা দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন স্থানীয় জনতা।
দ্বি-খন্ডিত লাশের খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা পিপিএম ও পরিদর্শক (তদন্ত) দুলাল আকন্দ’র নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি দল সাথে সাথে ঘটনা স্থলে পৌঁছান।
এরপর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) সাইফুল ইসলাম ও সিলেটের গোয়েন্দা সংস্থার ক্রাইমসিন ইউনিট ঘটনা স্থলে আসেন। সকলের উপস্থিতিতে সুরতাহাল শেষে দ্বি-খন্ডিত লাশটি মর্গে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, সুলতান মিয়া সুনামগঞ্জে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার দুর্বাকান্দা পাতাইরা গ্রামের আলকাছ আলী ও নূরজাহান বিবি দম্পত্তির পুত্র। সে বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের আজিজনগরস্থ এ.আর ব্রিকস্ ফিল্ডে ইট তৈরীর কারিগর হিসেবে কর্মরত ছিল। নিহত সুলতান মিয়া শুক্রবার সকালে সিলেট শহরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তার কর্মস্থল (এ.আর ব্রিকস্ ফিল্ড) থেকে বের হন এবং আজ (শনিবার) সকালে কর্মস্থলে এসে উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শনিবার ভোরে রামপাশা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের ইসরাব আলীর বাড়ির সামনে বিশ্বনাথ-রামপাশা সড়কের উপর তার মস্তক বিহীন দেহ ও সড়কের সড়কের পাশের বাঁশঝাড়ে ক্ষত-বিক্ষত মাথা দেখতে পান স্থানীয় লোকজন।
এ.আর ব্রিকস্ ফিল্ডের শ্রমিকের সর্দার নুরুল হক বলেন, সুলতান গত ১৯ অক্টোবর ইট ভাটার ইট তৈরীর কারিগর হিসেবে যোগদান করে। গত শুক্রবার তার গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে দেখতে আসা ভাই-ভাবীকে সকাল ১০টায় এগিয়ে দিতে গেলে আর রাতে ব্রিকফিল্ডে ফিরে আসেনি। শনিবার সকালে ওই লাশের খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন, এসময় লাশটি সুলতানের বলে তিনি সনাক্ত করেন।
বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, সুলতান মিয়াকে হত্যা করে দেহ ও মাথা পৃথক স্থানে ফেলেছে হত্যার সাথে জড়িত অপরাধী বা অপরাধীরা। হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd