সিলেট ২৬শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৮:১৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৫, ২০১৮
জাকির হোসেন মনির, অথিতি প্রতিবেদক :: পড়নে রঙ্গিন শাড়ী, হাতে চুড়ি, বাহুতে ব্যাগ, পার্লারে নব-সাঁজে সজ্জিতা রুপে রুপবর্তি’র ভূমিকায় নিজেকে আবিষ্কার !
কয়েক-জনের সমন্নয়ে হটাৎ বেপরোয়া ভাবে ট্রেনের বগিতে উপস্থিত হলো তারা।
অনাধিকার ভাবে একে একে সব যাত্রীর কাছ থেকে সাহায্যের জন্য হাত প্রসারিত! যে যার মতো সাহায্য দিচ্ছে, তাতেও তারা নারাজ! ৫ টাকা নহে! বরং ১০-টাকা দিতেই হবে!
চাহিদা মতো চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলেই শুরু হয় অঘোষিত ঝগড়া!
বেশি বাড়াবাড়ি করলেই অর্তকৃত হামলা! এ-যেন মগের মুল্লুক!
এভাবে প্রায়’ই এমন ঘটনাসমূহ বরাবর ঘটছে চলমান ট্রেন ভ্রমণে!
সরকার তাদের-কে আর কি দিবে? ৩-য় লিঙ্গের সুকৃতি দিয়েছে সরকার।ট্রাফিক পুলিশে সরাসরি তাদের-কে নিয়োগ দিয়ে ইতিহাসের পাতায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।আর কি দিলে ওরা খুশি হবে?
নিরাপদে গন্তব্যস্থানে পৌছার জন্য রতি থেকে মহারতিরা ট্রেনে ভ্রমন করে থাকে।
লাইন ধরে, দীর্ঘ-ক্ষণ অপেক্ষা করে ট্রেনের টিকেট সংগ্রহ করে গন্তব্যপথে যাত্রা অভিমুখে এদের বিরম্বনায় অতিষ্ট যাত্রী’গন!
আজ ব্যাক্তিগত কাজে কুলাউড়া থেকে পারাবত ট্রেন যোগে রাজধানী’র রুওয়ানা হলাম আমি। ট্রেনে উঠে ঠিকমতো নিজের আসনে বসার পূর্বেই দৃষ্টিগোচর হলো এদের উপস্থিতি।কোনো কিছু বুঝার আগেই বাংলা সিনেমার অভিনেতা/নেত্রী’র মতো শুরু হলো এদের কার্যক্রম!
এক-পর্যায়ে আমার আসনের পাশে এসে হাত প্রসারিত করলো, অনিহা থাকার পরও ৫-টাকা দিলাম, তাতে তারা নারাজ!
এদের একজন জোরসূরে বলে উঠলো, আমরা কি ভিক্ষুক? যা বলছি তা দিয়ে দেন! নতুবা…!
এদের এমন আচরণে আমি ৫-টাকা ফিরত নিয়ে নেই।আমার পাশের আসনে বসা জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক এক তরুন নেতা শেষ পর্যন্ত তার প্যাকেট থেকে এদের চাহিদা মতো ২০-টাকা দিয়ে দিলেন।এতে আমি উনার উপর কিছুটা অভিমান করলেও পরবর্তী’তে বুঝতে পারলাম তার সিংদান্ত’টা চুরান্ত।
ট্রেনে ডিউটিরত জি.আর.পি পুলিশ কে বিষয়’টি অবগত করলেও কাজের কাজ কিছু হয় না বলে জানিয়েছেন বহু যাত্রী…
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd