মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : নবগঠিত সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার প্রথম বারের মত পৌর পিতা নির্বাচন আগামী ২রা নভেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
নির্বাচনকে ঘিরে প্রতিটি অলিতে গলিতে পোষ্টারে পোষ্টারে ছেঁয়ে গেছে গোটা পৌর এলাকা। জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। দিন-রাত মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা। প্রতিটি ওয়ার্ডের ভোটারদের সাথে করেছেন কূশল বিনিময় এবং পৌর এলাকার হাট বাজারে ও বাড়ী বাড়ী গিয়ে জানান দিচ্ছেন নিজের অবস্থান।
বিতরণ করছেন লিফলেট। প্রথম বারের মত পৌর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় পৌর এলাকার ভোটারদের ও গোটা উপজেলার মানুষের মাঝে চলছে আলোচনা সমালোচনা। কে হবেন প্রথম পৌর পিতা?।
সরেজমিনে পৌর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মেয়র পদে প্রার্থী ছয়জন থাকলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ওঠে এসেছেন তিনজন। যেহেতু বিশ্বনাথ বিএনপির দূর্গ হিসেবে পরিচিত পৌর নির্বাচনে বিএনপি দলীয়ভাবে অংশ নিচ্ছেনা, কিন্তু তাদের ঘরের দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন।
একজন হলেন, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সভাপতি জালাল উদ্দীন, তাই এ দুইজনের ভোট ভাগাভাগিতে সুবিধা নিতে পারে অন্য প্রার্থীরা। আওয়ামী লীগের প্রার্থী একক থাকলেও অন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনিও আওয়ামী লীগের লোক।
সে বিবেচনায় তাদের ভোটেও ভাগ বসবে। এখন ভোটারদের মাথায় এসেছে ব্যক্তি ইমেজ। আর সে তুলনায় ব্যক্তি ইমেজে পৌর এলাকায় অনেকটা এগিয়ে জগ প্রতিকের মুহিবুর রহমান। কারণ তার পরিচিতি, দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে উন্নয়ন সব মিলিয়ে ভোটাররা তাকে নিয়ে ভাবছে আগামীর দিন।
তবে ভোটাররা বলছেন নৌকার প্রার্থী ফারুক আহমদও নিঃসন্দেহে একজন ভাল মানুষ। তারও জয়ের সম্ভাবনা আছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন,শেষমেশ ত্রিমুখী একটা লড়াই হবে। যে যত বেশি ভোটারদের মন জয়ে সক্ষম হবেন তিনিই জয় লাভ করবেন।
ভোটার আনোয়ার আলী বলেন, বিশ্বনাথের উন্নয়নে গত দুই বারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান পৌর এলাকার উন্নয়নে মুহিবুর রহমানের বিকল্প নেই। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে মুহিবুর রহমানই বিজয়ী হবেন।
এটা শুধু ভোটারদের অভিমত। তবে যে যাই বলুক আগামী ২ রা নভেম্বর বুঝা যাবে কে হবেন নবগঠিত বিশ্বনাথ পৌরসভার প্রথম মেয়র। সে পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে সবাইকে।