সিলেট ১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১০:১৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০১৯
সিলেট নগরীতে যত্রতত্র বসানো হয়েছে কোরবানীর পশুর হাট। হাতেগুনা কয়েকটির বৈধতা থাকলেও বাকি সবকটি অবৈধ বলে জানা যায়। এরই মাঝে সোবহানীঘাটে ল’ কলেজের পাশে জেলা পরিষদের নামে সাইনবোর্ড লাগিয়ে বসানো হয়েছে পশুর হাট। কিন্তু জেলা পরিষদ বলছে পরিষদের নামে বসানো এটি অবৈধ পশুর হাট। পরিষদ কাউকে হাট বসানোর অনুমোদন দেয় নি।
এমন অভিযোগে বৈধতার পক্ষে-বিপক্ষে পাওয়া গেছে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য। জেলা পরিষদের অনুমতিক্রমে সোবহানীঘাটে পশুর হাট বসানোর দাবি করেন হাট মালিক অ্যাডভোকেট গিয়াস। তিনি মুঠোফোনে অনুমতিপত্র দেখিয়ে বলেন, কয়েকবছর থেকে অনুমতি নিয়ে হাট বসিয়ে আসছি।
এদিকে, জেলা পরিষদের ১০ নং সদস্য স্যায়িদ আহমদ সুহেদ, ৮ নং সদস্য আশিক মিয়া, ৪ নং সদস্য মুহিবুল হক, ৭ নং সদস্য লোকন মিয়া ও ১ নং সদস্য মোহাম্মদ শাহনুর বলেন, পরিষদ থেকে কোনো হাট ইজারা দেয়া হয়নি বা এ সংক্রান্ত বিষয়ে পরিষদের কোনো সভায় আলোচনা হয়নি। জেলা পরিষদের মালিকানাধীন স্থানে পরিষদের নাম ভাঙ্গিয়ে বসানো পশুর হাট অবৈধ। বেআইনিভাবে গড়ে তোলা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে মুঠোফোনে কথা হয় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দেবজিৎ সিংহের সাথে। তিনি বলেন, আমাদের কোনো গরুর বাজার নেই, আইনগত দিক দিয়ে কাউকে অনুমতি দেয়ার সুযোগও নাই। হাট বসানোদের দাবি তাদের কাছে পরিষদের অনুমতিপত্র রয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, মেয়র সাহেব ও পুলিশের কাছ থেকে এরকম আমিও শুনেছি, চেয়ারম্যান সাহেব কোনো স্বাক্ষর করার কথা না, স্বারক নম্বারও নাই।
বিষয়টি মেয়র, পুলিশ ও জেলা প্রশাসককে জানিয়ে দিয়েছি আমাদের কোনো গরুর হাট নাই। তা ছাড়া পরিষদের চেয়ারম্যান হজে রয়েছেন, তিনি আসার পর আমাদের নাম যারা ব্যবহার করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে, সে যদি পরিষদের কেউ হয় তাকেও ছাঁড় দেয়া হবেনা বলে জানান দেবজিৎ সিংহ।
কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম মিঞা বলেন, বিষয়টি শোনার পর হাটে গিয়ে হাট বসানোর অনুমতিপত্র দেখি। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের স্বারক সম্বলিত একটি কাগজ তারা দেখান। স্বাক্ষর যদি সঠিক থেকেও থাকে তারপরও চেয়ারম্যান হাটের অনুমতি দিতে পারেন না। হাট অবৈধ। সে সময় বাঁশ তোলে ফেলে ও কিছু গরু রাস্তা থেকে সরিয়ে দিয়ে এসেছি।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd