সিলেট ৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১০ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:১২ অপরাহ্ণ, জুন ১৫, ২০১৯
সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারে এক যুবককে সড়ক থেকে ধরে নিয়ে পার্শ্ববর্তী মন্দিরে আটকিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে।
যুবককে মারধরের প্রতিবাদে স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। শনিবার বিকাল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত যুবকের নাম এসডি ইমন। তার বাসা নগরীর দাঁড়িয়াপাড়া এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে জিন্দাবাজার পয়েন্টে রিকশা পার্কিং নিয়ে পুলিশের এটিএসআই মাছুমের সাথে এসডি ইমনের বাকবিতণ্ডা হয়। এসময় এটিএসআই মাছুমের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ইমনকে টেনে পয়েন্টে সংলগ্ন জগন্নাথ জিউড় মন্দিরের ভেতরে নিয়ে যান। এসময় তাকে বেধড়ক মারধর করেন পুলিশ সদস্যরা। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মন্দিরের ভেতরে ঢুকে ইমনে ছাড়িয়ে আনেন।
ইমন অভিযোগ করেন, অটোরিকশাযোগে তিনি দাঁড়িয়াপাড়া থেকে জিন্দাবাজার পয়েন্টে আসেন। এসময় ডিউটিরত কোতোয়ালী থানার এটি এস আই মাসুম অটোরিকশাচালক ও তাকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল গালাগাল করেন। শুরু হয় বাগবিতণ্ডা। একপর্যায়ে তাকে পাশের জগন্নাথ জিউর আখড়ায় (মন্দিরে) নিয়ে মারধর করেন মাসুম।
এদিকে পুলিশের হাতে ওই যুবক লাঞ্চিত হওয়ায় ও মানিব্যাগ ছিনতাইয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দারা জিন্দাবাজার পয়েন্টে এসে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে কোতোয়ালী থানার এসি ইসমাইল হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিলে তারা সড়ক অবরোধ তুলে নেন।
কোতোয়ালী থানার এসি ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমরা ওই যুবকের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে তদন্ত করে সত্যতা পেলে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কোতোয়ালী থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) সেলিম মিয়াও অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জেদান আল মুসা বলেন, ‘জগন্নাথ জিউর আখড়ায় থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ওই যুবকের সাথে পুলিশ সদস্য মাসুমের দুর্ব্যবহারের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে।’
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd