সিলেট ৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৩:০৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৪, ২০১৯
স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেট রেলওয়ে স্টেশন থেকে আলমগীর হোসেন নামে এক টিকিট কালোবাজারিকে আটক করা হয়েছে। এসময় তার কাছ থেকে বেশ ক’টি টিকিট জব্দ করা হয়। কিন্তু ধরাছোয়ার বাহিরে টিকিট ম্যানেজার জহির।
গত মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে চট্রগ্রাম থেকে আসা জিআরপি পুলিশের বিশেষ টিমের এক সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের প্লাটফর্ম থেকে তাকে আটক করেন। তার কাছ থেকে ১০৭টি টিকিট জব্দ করা হয়।
আটক আলমগীর হোসেন চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার আহমদ নগর গ্রামের মনছুব আলী ছেলে। তিনি সিলেট পলিটেকনিক্যাল রোড সাধুর বাজার এলাকার জমির মেম্বারের ভবনের ভাড়াটিয়া বাসিন্দা।
এ ঘটনায় চট্রগ্রাম থেকে আসা জিআরপির বিশেষ টিমের ওই কর্মকর্তা বাদি হয়ে আলমগীরসহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
বিভিন্ন সুত্রে পাওয়া তথ্যে ভিত্তিতে জানা যায়, সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে হয়রানীর শিকার হন দূর দূরান্তের যাত্রীরা। যাত্রীরা কাউন্টারে গেলে আসন শূন্য ‘সীট নাই‘ বলে বিদায় করে দেওয়া হয়। নিরুপায় হয়ে স্ট্যান্ডিং টিকিট কিনে নেন যাত্রীরা। আর অধিকাংশ আসনযুক্ত রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম (সিএনএস) লিমিটেড’র অপরারেশন অ্যান্ড মেইনটেনেন্স বিভাগের লোকজন নিয়ন্ত্রন করে থাকেন। তাদের ইশারায় সীটযুক্ত টিকিট বিক্রি করা হয়। যে কারণে টিকিট কাউন্টারে গেলে কোনো সীট পান না যাত্রীরা।
রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট ম্যানেজার জহিরের মাধ্যমে আলগীর দৈনিক দুই থেকে তিনশত টিকিট সংগ্রহ করে থাকেন বেল অভিযোগে প্রকাশ।
অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ে স্টেশনে কালোবাজারে আসনযুক্ত টিকিট বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। আর আগেও অভিযানে টিকিটসহ আটক হন আলমগীর। কিন্তু কৌশলে তিনি ছাড়া পেয়ে যান। আর তাকে এ কাজে সহযোগীতা করেন খোদ স্টেশন মাস্টার ও তার দুই সহযোগী সিএনএস নিজাম উদ্দিন ও জহির আহমদ। এছাড়া টিকিট কাউন্টারের লোকজন কালোবাজারিতে যুক্ত রয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে সিলেট রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার কাজি শহিদুলল ইসলামের নাম্বারে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd