সিলেট ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ২:২৩ অপরাহ্ণ, জুন ৬, ২০১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট নগরীর বড় সমস্যা হকার। এদের কারণে সিলেট শহর যানজটের নগরী। হকার সমস্যায় যেন পুরো শহর থমকে আছে। পড়ছে ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরূপ প্রভাব। সিলেট শহরে ঢোকার পর হকার সমস্যা আর যানজটের কবলে পড়ে মানুষের নাভিশ্বাস। শহর থেকে বেরিয়ে যাবার পর যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে সকলে।
সিলেট নগরীর সড়ক ও ফুটপাত থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে টানা অভিযান চালিয়েছে সিটি করপোরেশন। সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে।
হাটাচলার সুবিধা না থাকায় প্রয়োজনে শহরে আসা মানুষগুলো প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে ভোগে। চলতে গিয়ে কখন যানবাহনের চাপায় পড়ে এমন আতঙ্কে থাকে মানুষ। ফুটপাত দিয়ে তো হাঁটা যায়ই না, রাস্তার বেশ অংশও দখল করে রেখেছে হকার। এবার হকার রাস্তার ঠিক মধ্য স্থানও দখল করে নিয়েছে।
আসছে রমজানের ঈদ। ওই সময় এমনিতে শহরে যানজট বেড়ে যায়। বিশেষ করে বিকেল বেলা ইফতার তাড়িত সময়টায় যানজট লাগে বেশি। সবাই যে যার গন্তব্যে দ্রুত পৌঁছার আকুতি থেকে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়।
সিলেট শহরের বন্দরবাজার দিয়ে ঢোকা ও বেরিয়ে যাবার দুটি রাস্তার ফুটপাত হকারের দখলে। বন্দর বাজারের ৬০ ফুট প্রশস্ত রাস্তার প্রয় ২৫ ফুট হকারের দখলে। সিলেট শহরের কেন্দ্রবিন্দু কোর্ট পয়েন্ট। রাস্তার প্রশস্ততা প্রায় দেড় শত ফুট। ত্রিমুখী এরাস্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে ফুটওভার ব্রিজ করায় রাস্তার প্রশস্ততা কমেছে। ওইখানে আগে থেকেই রাস্তার একপাশে অটোরিকশা-লেগুনা স্ট্যান্ড দখল করে রেখেছে প্রায় ৩০/৪০ ফুট। অপরপাশে হকারের পসরায় আরো প্রায় ৩০/৩৫ ফুট তাদের দখলে। বাকি ৫০/৬০ ফুট দিয়ে এতদিন যানবাহন ও মানুষ চলাচল করত। সম্প্রতি ফুটওভার ব্রিজের মধ্যের খুঁটি দখল করেছে আরো প্রায়২০ ফুট। রইল বাকি রাস্তার প্রায় ৩০/৪০ ফুট।
ক’দিন ধরে ফুটওভার ব্রিজের মধ্যের খুঁটি ঘেঁষে রাস্তার মধ্যস্থান দখল করে হকার বসায় প্রশস্ততা আরো ৫/৬ ফুট কমেছে। তাহলে রাস্তার জন্য রইল বাকি কি? ঢাকা শহরেও রাস্তার মধ্যখানে হকার বসতে পারে না। কেবল সিলেটেই বসছে। সেখানে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকে। মনে হয় পুলিশই হকারদের নিরাপত্তা দিচ্ছে। কেননা তাদের পকেট ভারী করার এটাও একটা মাধ্যম।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd