সিলেট ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:৫৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ৭, ২০১৯
ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় বান্দরবানে প্রশাসন ও পৌরসভার পক্ষ হতে মাইকিং করা হচ্ছে। প্রাণহানী ঠেকাতে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী লোকজনদের নিরাপদ জায়গায় সড়ে যেতে বলা হচ্ছে।
ইতোমধ্যে প্রবল বর্ষণের কারণে বান্দরবানের থানছি রুমা সড়কসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় পাহাড় ধসের খবর পাওয়া গেছে। তবে এখনো পর্যন্ত কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের সাংঙ্গু মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি বাড়তে থাকায় থানছি ও রুমা উপজেলার বেশ কিছু দুর্গম জায়গায় পর্যটকদের চলাচলে সতর্কতা জারী করেছে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী।
এদিকে প্রবল বর্ষণের কারণে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ডের অস্থায়ী রোহিঙ্গা শিবিরটি পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে। শিবিরের ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। রোহিঙ্গারা আশ্রয় নিয়েছে পাশের উচু স্থানের পাহাড়ে। রোহিঙ্গা শিবিরটি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের মধ্যে পরেছে প্রায় ৪ হাজার রোহিঙ্গা।
এলাকায় ইউপি সদস্য আবদুর রহিম জানিয়েছেন শনিবার থেকে টানা বর্ষণের কারণে রোহিঙ্গা শিবিরে তুমব্রু খালের পানি প্রবেশ করায় সেটি তলিয়ে গেছে। রোহিঙ্গারা বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছটিয়ে পড়েছে।
এদিকে টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির ঝুঁকিতে রয়েছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। তিনদিনের বৃষ্টিতে রোহিঙ্গাদের ২৭৩টি আশ্রয়স্থল নষ্ট হয়েছে বলে জানায় জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।
ইউএনএইচসিআর-এর কর্মকর্তা আরও বলেন, প্রাথমিক খবর অনুযায়ী বৃষ্টিপাতের কারণে ২৬টি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। জরুরি সহায়তার জন্য শরণার্থী স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আমরা অস্থায়ীভাবে ২ হাজার ১৩৭ জনকে সরিয়ে নিয়েছি। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা বা বাসস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd