সিলেট ১২ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৪শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১০, ২০২২
ক্রাইম ডেস্ক :: সিলেটের কোয়ারিগুলোতে পাথর উত্তোলনে সায় দিচ্ছেন না প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ক’দিন আগে বিভাগীয় কমিশনার জানিয়ে দিয়েছেন পাথর উত্তোলনে সম্মতি নেই প্রশাসনের। জেলা প্রশাসকও জানিয়েছেন, অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাথর উত্তোলন করতে দেয়া হবে না। সামনেই মৌসুম। কোয়ারি খোলার অপেক্ষায় লাখো শ্রমিক। এবার পাথর কোয়ারি লিজে দেয়া হবে কিনা- এ নিয়ে এখনো খনিজ উন্নয়ন ব্যুরো থেকে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। এই অবস্থায় জাফলংয়ে শ্রমিকরা মাঠে নেমেছেন। শনিবার (৯ অক্টোবর) জাফলংয়ে হাজারো শ্রমিক শোডাউন করেছে। আর এই শোডাউনে ঘটে গেছে নানা ঘটনা। এরমধ্যে একটি ঘটনায় তোলপাড় চলছে সিলেটজুড়ে।
এই মামার দোকানে আমি একদিন ইউএনও বিশ্বজিৎকে গালি দিয়েছিলাম। পরে তার লেখনির মধ্যদিয়ে আমার উপর দিয়ে চড়াইউৎরাই গেছে। আমাদের এই পরিবেশবাদীরা সব করছে। আমরা ডলার দিয়ে ভারত থেকে পাথর আনি। এতে করে রিজার্ভ কমছে। হিসাব করে দেখেন গত কয়েক মাসে কতো রিজার্ভ কমেছে। আমরা ডলার দিয়ে পাথর আনছি অথচ আমাদের কোয়ারি বন্ধ। আমরা চাই ইসিএ এলাকা বাদে অন্য এলাকায় পাথর উত্তোলনের সুযোগ দেয়া হোক।’ এদিকে, সমাবেশের আয়োজকরা তার এই বক্তব্য মেনে নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সম্মতিও দিয়েছেন। জাফলং পাথর কোয়ারি দেশের অন্যতম পাথর কোয়ারি। উজানের সীমান্ত এলাকা হচ্ছে পর্যটন এলাকা। দেশ-বিদেশ থেকে এখানে পর্যটকরা বেড়াতে আসেন। প্রায় ১০ বছর আগে জাফলং কোয়ারি ও আশপাশ এলাকায় নির্বিচারে পাথর উত্তোলন করায় কোয়ারির একাংশকে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা বা ইসিএ জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসিএ জোন এলাকা হওয়ার কারণে প্রায় ১০ বছর ধরে পাথর উত্তোলন বন্ধ রয়েছে জাফলং কোয়ারিতে। এতে করে ফিরেছে আগের পরিবেশ। এই অবস্থায় অপেক্ষায় থেকে থেকে এখনো ইজারায় দেয়া হয়নি জাফলং পাথর কোয়ারি। সরকারের তরফ থেকেও সে ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। অন্যদিকে- চাহিদা পূরণে ভারতের পাথরের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতিদিন ভারত থেকে শতকোটি টাকার পাথর আসে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ কারণে জাফলং পাথর কোয়ারি সচল করার দাবিতে গতকাল মানবন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে মন্ত্রীকে হঠাৎ করে এক বক্তা অবাঞ্ছিত ঘোষণা করায় তোলপাড় শুরু হয়। আওয়ামী লীগ নেতা সামছুল আলমের তরফ থেকে পাল্টা জবাব দেয়ার পর এখন তোলপাড় চলছে এলাকায়। ক্ষোভও বিরাজ করছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, মন্ত্রীকে অ্যাটাক করার পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। যারা সমাবেশে এসেছিলেন সবাই যে ভালো নিয়তে এসেছেন বলা মুশকিল। কেউ কেউ সমাবেশকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছেন। এটা খুবই দুঃখজনক। সূত্র- মানবজমিন
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd