সিলেট ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
প্রকাশিত: ৩:৩১ অপরাহ্ণ, জুন ২৬, ২০২০
স্টাফ রিপোর্টার :: বিয়ানীবাজারে জমি বিরোধের জের ধরে বসতবাড়ীতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীর শ্লীলতাহানী, স্বর্ণালংকার লুট, ৯০ বছরের বৃদ্ধ, মহিলা, শিশু আহত সহ প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ করা হয়েছে।
উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের ছোটদেশ ছুটিয়াং গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের বসতবাড়ীতে ২২ জুন সোমবার এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখ করে দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে বিয়ানীবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ১৮ তাং ২৩/০৬/২০২০ইং।
মামলার বিবরণে প্রকাশ: পূর্ব শত্রুতা, মনোমালিন্য ও জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে বিবাদীরা অতর্কিতে বাদীর বসত বাড়ীতে হামলা করে। ১নং বিবাদী রুহেল আহমদ (৪০) প্রাণে মারার উদ্দেশ্যে বাদী দেলোয়ার হোসেনের বুকে শাবুল দিয়া আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। আঘাতের সাথে সাথে মামলার বাদী দেলোয়ার হোসেন মাটিতে লুঠিয়ে পড়লে ২নং আসামী লিয়াকত আলী (৫০) ও ৩ নং আসামী শায়েল আহমদ (৪৫) উভয়ে মিলে তাদের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে পেটাতে থাকে।
২নং আসামী লিয়াকত আলী (৫০), বাদীর পিতা ছায়াদ আলী (৯০) কে বাড়ি দিয়ে নাকে ও ঠোটে জখম করে এবং ৪ নং বিবাদী আব্দুল মজিদ (২২) বাদীর পিতাকে দা দিয়ে হাতে কোপ মেরে জখম করে।
৫নং বিবাদী আব্দুল মালিক (২০) হাতে থাকা দা দিয়ে মামলার ২নং স্বাক্ষী রাজনা বেগম’র (৩০) মাথায় আঘাত করে জখম করে এবং আঘাতের পর মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ৫নং বিবাদী আব্দুল মালিক মহিলার চুল ও কাপড় ধরে টানা হেছড়া ও শ্লীলতাহানী করে জোর পূর্বক তার গলা থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা মূল্যমানের ২ ভরি স্বর্ণের গহনা নিয়ে যায়।
৬নং বিবাদী আব্দুল হাছিব (১৮) বাদীর ৬ মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকে ডান হাতের কবজীর উপর বারি মেরে হাড় ভাঙ্গা ও ফাটা জখম করে। ৭নং বিবাদী শাহীন আহমদ (২৫) মামলার স্বাক্ষী জনি আক্তার’র (২৮) গলা থেকে ৯০ হাজার টাকা মূল্যমানের দেড় ভরি স্বর্ণের চেইন নিয়ে পালায়।
৮নং বিবাদী মামলার ৪নং স্বাক্ষী মাহমুদুল হাছানকে (১৩) মরপিট করে এবং তার হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বাদীর বসত ঘর, দরজা, জানালা, কেচি গেইট, আসবাবপত্র ভাংচুর করে ১৫ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। আহতরা বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
মামলার বাদী দেলোয়ার হোসেন জানান, বর্তমানে বিবাদীরা উশৃংখল আচরণ,নানা ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সুযোগ পেলে আমাদেরকে মেরে লাশ গুম করার গুমকি দিতেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ অবণী শংকর কর বলেন, ১নং আসামী রুহেল আহমদকে আটক করে কোর্টে চালান দেয়া হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতারের প্রচেষ্ঠা অব্যাহত আছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd