ইউসেপ ঘাসিটুলা স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক পুলিশ শফির খাদ্য সহায়তা

প্রকাশিত: ১১:১৮ অপরাহ্ণ, জুন ২৫, ২০২০

ইউসেপ ঘাসিটুলা স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক পুলিশ শফির খাদ্য সহায়তা

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক :: বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্ব এখন দিশেহারা। করোনার সংক্রমণের কারণে সিলেটে কর্মহীন হয়ে পড়ায় নিম্নবিত্ত তো বটেই মধ্যবিত্তরাও সংকটে পড়েছেন। কারো কাছে হাত পাততেও পারছেন না অনেকেই।

এই পরিস্থিতিতে মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে দিনরাত সিলেটের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে চলেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের নায়েক সফি আহমদ। সাধ্যমতো সহায়তা তুলে দিচ্ছেন দুর্দশাগ্রস্থ পরিবারের হাতে। অনেকটা নীরবে-নিভৃতে তিনি এই তৎপরতা চালালেও ইতোমধ্যে তিনি ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন অসহায় মানুষদের কাছে।

মো. সফি আহমেদ সিলেট মহানগর পুলিশের নায়েক পদে কর্মরত। বর্তমানে তিনি মহানগর পুলিশের মিডিয়া ও কমিউনিটি সার্ভিস বিভাগে কর্মরত আছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলেও সিলেট নগরের ঘাসিটুলা এলাকায় ইউসেপ ঘাসিটুলা স্কুলের সুবিধাবঞ্চিত শ্রমজীবী বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে খাদ্যসহায়তা বিতরণ করেছেন। স্কুলের সহকারী শিক্ষক শাহিদা জামানের তত্ত্বাবধানে বিকেল পাঁচটায় এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিলো- ৫ কেজি চাল, ডাল দুই কেজি, তেল এক লিটার, পেঁয়াজ দুই কেজি, আলু দুই কেজি, সাবান একটা, বাচ্চাদের খাবার।

উল্লেখ্য, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এবং সাধারণ ছুটি ঘোষণার কয়েকদিন পর থেকে মূলত কাজ শুরু করেন নায়েক সফি আহমেদ। প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন শেষে নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়েন দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের খোঁজে। গরীব ও অসহায় মানুষের ঘরে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন মো. সফি আহমেদ। সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর থেকে প্রতিদিন মোটরসাইকেলে করে ঘুরে ঘুরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।

এ পর্যন্ত প্রায় সাত সহস্রাধিক পরিবারে এই পুলিশ সদস্য সহায়তা করেছেন। আগামীতে তিনি অসহায় মানুষদের আরও সহায়তা করবেন বলে জানিয়েছেন শফি আহমেদ।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..