নার্সিং কর্মকর্তা রুহুল আমিনের পরিবারের পাশে দাঁড়াল নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন

প্রকাশিত: ১০:৪০ অপরাহ্ণ, জুন ২৫, ২০২০

নার্সিং কর্মকর্তা রুহুল আমিনের পরিবারের পাশে দাঁড়াল নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন

সিলেট :: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে সংক্রমিত হয়েছিলেন সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারের নার্সিং কর্মকর্তা রুহুল আমিন।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যুর পর আর্থিক সহায়তা ও একমাত্র ছেলের পড়ালেখার দায়িত্ব নিয়েছেন সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

এবার করোনায় নিহত সিনিয়র নার্স (পুরুষ) রুহুল আমিনের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএনএ) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শাখা। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে আর্থিক সহায়তা নিয়ে রুহুল আমিনের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে তারা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রুহুল আমিনের স্ত্রী শাহীন আফরোজ আক্তার ও ছেলে আলিফের হাতে ওসমানী নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তুলে দেয়া হয় দুই লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ও নগদ ৪০ হাজার ২০০ টাকা। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ইউনুছুর রহমান এ আর্থিক অনুদান রুহুল আমিনের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়, সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. আবুল কালাম আজাদ, নিউরো সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল, সেবা তত্ত্বাবধায়ক রেনুয়ারা আক্তার, বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএনএ) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শাখার সভাপতি শামীমা নাসরিন, সাধারণ সম্পাদক ইরাইল আলী সাদেক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সুলেমান আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক অরবিন্দু চন্দ্র দাস ও কোষাধ্যক্ষ নিলুফা ইয়াসমিন প্রমুখ।

সহায়তা দেয়া প্রসঙ্গে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইরাসইল আলী সাদেক বলেন, রুহুল আমিন ছিলেন মানবতার সেবক। করোনা রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে তিনি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার মৃত্যুতে সিলেটসহ সারা দেশের নার্সরা ব্যথিত। এই দুঃসময়ে রুহুল আমিনের পরিবারের পাশে ওসমানীর নার্সরা দাঁড়িয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইসরাইল আলী সাদেক বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী নার্সদের প্রতি সবসময় সহানুভূতিশীল।

তিনি বলেন, রুহুল আমিন মারা যাওয়ার পর সর্বপ্রথম তার পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আর্থিক সহায়তার পাশপাশি তিনি রুহুল আমিনের ছেলের পড়ালেখারও দায়িত্ব নিয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স্ত্রী সেলিনা মোমেনও রুহুল আমিনের পরিবারকে উপহার পাঠিয়ে শোকের মধ্যে ধৈর্য ধারণে অনুরোধ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার স্ত্রীর মানবিক এই উদ্যোগ সিলেটের নার্সদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও নিরলসভাবে করোনা রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তারা।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..