সিলেট ২৫শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৫ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১০:২১ অপরাহ্ণ, জুন ২২, ২০২০
খায়রুল আলম রফিক :: ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পঞ্চম শ্রেণী পড়ুয়া লামিম (১০)নামের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
আজ উপজেলার আছিম পাটুলী গ্রামে বেতবাড়ি থানার পার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রফিকুল ইসলাম তার নিজ বাড়িতে নিয়ে লোহার রড দিয়ে ওই শিশুকে বেধড়ক পিটিয়েছে। আহত শিশু আছিম পাটুলি গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে। পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় কারনে শিশুটির চিতকার শুনে প্রথমে তার মা এবং পড়ে এলাকাবাসীর সহায়তায় আহত অবস্থায় শিশু লামিম কে উদ্ধার করে ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিকেলে ভর্তি করা হয়। শিশুটির হাতে পায়ে বুকে-পিঠে পেটানোর চিহ্ন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃবিধান চন্দ্র দেবনাথ।
বিধান চন্দ্র দেবনাথ বলেন, শিশুটিকে আহত অবস্থায় আজ বিকেলে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। শিশুটির শরীরে বিভিন্ন জায়গায় পেটানোর ক্ষত এবং বুকে পিঠে,গলায় নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। এটি শিশু নির্যাতনের চরম পর্যায়ে পড়ে যা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায়না। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে ১০ বছরের শিশু লামিম আঁতকে উঠে সে বলে, আমি কাল মাঠে ঘুড়ি ওড়াচ্ছিলাম এমন সময় রফিক স্যার কে একজনের কাছ থেকে বরি(ট্যাবলেট) কিনতে দেখি, দেখে আমি তাকে বলেছিলাম আমি সবাইকে বলে দেব। উনি আমার এ কথা শুনে প্রথমে আমার উপর ক্ষেপে যায়, পরে আমাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে গলায় পা দিয়ে চেপে ধরে, রড দিয়ে পেটাতে থাকে। আমার মা আমার চিৎকার শুনে আমাকে বাঁচাতে আসলে আমার মাকেও মারার জন্য ধাওয়া করে সে।
শিশু লামিমের বাবা জালাল উদ্দিন অভিযোগ করেন, আমার পরিবারের সাথে কারো কোন শত্রুতা নেই, কোন অপরাধে রফিক মাষ্টার আমার ছেলেকে মারলো আমি এর বিচার চাই, কঠোর বিচার চাই আইনের মাধ্যমে। শিশুটিকে নির্যাতনের বিষয়ে রফিকুল ইসলাম কে একাধিক বার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে ফুলবাড়িয়া থানার ওসি ( তদন্ত) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, শিশুটিকে মারধরের ব্যাপারে তার মামা জানিয়েছেন, আমি তাদের থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি তারপর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd