ফটো সাংবাদিক সুহেল হত্যা প্রচেষ্টা মামলার আসামীদের আসল পরিচয় কী?

প্রকাশিত: ৩:৪৯ পূর্বাহ্ণ, মে ১৯, ২০২০

ফটো সাংবাদিক সুহেল হত্যা প্রচেষ্টা মামলার আসামীদের আসল পরিচয় কী?
স্টাফ রিপোর্টার :: ফটো সাংবাদিক সুহেল হত্যা প্রচেষ্টা মামলায় ৯আসামীর মধ্যে উক্ত ৬ জন ।গত ৫ মে তাদের এলাকা দিয়ে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ডাক্তারের কাছ থেকে বাড়ি ফেরার পথে সুহেলের শিশু সন্তানকে কেড়ে নিয়ে জিম্মি করে তার উপর বর্বর কায়দায় নির্যাতন চালিয়ে মারাত্নক আহত করেছিলো এরা।
ফটো সাংবাদিক সুহেল আহমদ বাংলার বারুদের নির্বাহী সম্পাদক বাবর হোসেনের ছোট ভাই এবং দক্ষিন সুরমা জার্নালিস্ট ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মুছারগাওঁ শাহ মঞ্জুর রঃ জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য ও মুছারগাওঁ সমাজ কল্যান সমিতির সভাপতি।
সুহেল হত্যা প্রচেষ্টা মামলা দায়ের হয় ৫ মে রাতেই, কিন্তু মামলা রুজু করা হয় ৬মে রাতে। দক্ষিন সুরমা থানার ওসি খায়রুল ফজল জানিয়েছিলেন, তিনি মামলার এজাহারটি ৫মে রাতে পান নি ৬মে ইফতারের পর পেয়েছেন। দক্ষিন সুরমা থানার মামলা নং ৭(৫)২০জি আর ৭৯/২০ রুজু হবার পরই মামলার বাদী পক্ষ এজাহারের কপি পাবার আগেই আসামী পক্ষ রাতেই পেয়ে যায়। মামলা রুজু হবার পর থেকে ১০মে পর্যন্ত আসামীদের কারো বাসা বাড়ীতে পুলিশ যায়নি এবং বাস্তবে কাউকে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হতে হয়নি।
গত ১০ মে সকাল সাড়ে ১১টার পর ওসি খায়রুল ফজল সাংবাদিক বাবর হোসনকে ফোনে জানান, তিনি উপজেলা পরিষদে মিটিং এ যোগদানরত অবস্থায় জানতে পেরেছেন, সুহেল হত্যা প্রচেষ্টা মামলায় ৬ আসামীকে তদন্তকারী কর্মকর্তা লিটন চন্দ্র গ্রেফতার করেছেন।উক্ত ৬ জনের বাসা বাড়ী ২৫ নং ওয়ার্ডের কায়েস্থরাইল এবং বারখলার পৃথক এলাকায়। ৬জন লোককে পুলিশ গ্রেফতার করলো অথচ দুই এলাকার অপর কোনো লোক বিষয়টি জানতে পারলো না। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে সমঝোতার মাধ্যমে ৬আসামীকে গ্রেফতার ফরোয়াডিং তৈরি করে তাদেরকে নিয়ে কোর্টে যাওয়া হয়েছিল এবং বিকেল তিনটার মধ্যেই তারা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে জামিন পেয়ে এক সাথে দাড়িয়ে ছবি তুলে ফেইসবুকে দিয়েছিল। মামলার প্রথম আসামী আলাউর রহমান রুমন কে গ্রেফতার দেখানো হয়নি, সে জামিন ও পায়নি, কিন্তু ফেইসবুকে ছবিতে সেও দাড়িয়ে লিখেছে মিথ্যা মামলায় জামিন নিয়ে এলাম,উক্ত ৬জন আসামীর মধ্যে জুনেদ ও রুমন সম্পর্কে মামা- ভাগ্নে। তাদের সাথে সাংবাদিক সুহেলের ভুমি সক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, মামলার অপর ৭আসামির সাথে সোহেলের কোন বিরোধ নেই এবং ছিলনা।
ছবির অপর ৪জন এবং পলাতক তিনজন কেনো সোহেল হত্যা প্রচেষ্টায় জড়িত হয়েছিল ?তাহলে কি তারা জুনেদ ও রুমনের ভাড়াটে হয়ে সোহেলকে হত্যা করতে চেয়েছিল ?মামলার আসামি তানভীর কায়েস্তরাইল গ্রামের ফিরোজ মিয়ার ছেলে এবং সে তাবলীগ জামাতের একজন কর্মী (জুবায়ের গ্রুপ ) সেই সাথে কায়েস্তরাইল সমাজ কল্যাণ সমিতির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক। সে সরকারের রেজিস্ট্রেশন ভুক্ত একটি সমাজ কল্যাণ সংগঠনের (সিল ৮৩৩/২০০৩ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক। পবিত্র রমজান মাসে আসরের নামাজের পর এবং ইফতারের আগে নর হত্যা প্রচেষ্টামূলক ঘটনায় জড়িত হয় কিভাবে ? সোহেল হত্যা প্রচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি আলাউর রহমান রুমন অনুরূপ ভাবে কায়েস্থরাইল সমাজ কল্যাণ সমিতির কার্যকরি কমিটির অন্যতম সদস্য। সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধনকৃত (সিল ৮৩৩/২০০৩) একটি সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদের অধিকারী দুই ব্যক্তি কিভাবে পেনাল কোড ভঙ্গ জনিত অপরাধে জড়িত হবার সাহস পায় ?তাদের এধরনের সাহসের নেপথ্যে রয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন উপ- পুলিশ কমিশনার। যার নাম ভাঙ্গিয়ে পুলিশ প্রশাসনে প্রভাব খাটিয়ে জুনেদ – রুমন রা একটি ভাড়াটে বাহিনী তৈরি করে সাংবাদিক সোহেলকে হত্যা করতে চেয়েছিল ।(চলমান )

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..