সিলেট ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১:১৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার আমবাড়ী হাওড় গ্রামের জালালা উদ্দিনের মেয়ে সারমিন বেগম (২০) এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন গোয়াইনঘাটের বীরমঙ্গল হাওরের মৃত হাজী আব্দুল হকের পূত্র সাহাব উদ্দিন।
রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশ সুপারের নিকট এ অভিযোগ দায়ের করেন সাহাব উদ্দিন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে- সারমিন বেগম (২০) সে তার দেহ ও যৌবন পুঁজি করে এলাকায় নানা অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে। দেহ ব্যবসার পাশাপাশি অর্থলাভের উদ্দেশ্যে এলাকার নিরীহ জনসাধারণকে হামলা-মামলা দিয়ে একেরপর এক হয়রানী করছে। গত ২০১৭ সালে ওই মহিলা জৈনিক রাজমিস্ত্রি মো. আব্দুল মোতালেবের সাথে অনৈতিক শারিরীক সম্পর্ক গড়ে তোললে স্থানীয় এলাকাবাসী নিষেধ করেন।
এলাকার নিষেধ না মানায় স্থানীয়রা ওই বছরের ১৪ অক্টোবর তাদেরকে অসামাজিকতায় আটক করে দ’জনের বিয়ে দেন। বিবাহের পরও দেহপসারিনী সারমিনের চরিত্র বদলায় নি। স্বামীর ঘরে থাকা সত্বেও একাধিক পুরুষের সাথে পরকীয়া ও দেহলীলায় লিপ্ত থাকে সে। একপর্যায়ে পরপুরুষের সাথে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্তায় স্বামী আটক করে এবং সারমিনকে তালাক প্রদান করেন।
এপর সে তার পিত্রালয়ে এসে বিভিন্ন জনের সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে অবৈধ টাকা কামাই করতে থাকে। সারমিনের এই এহেন কাজে কেউ বাধা হয়ে দাঁড়ালে পড়তে হয় বিভিন্ন মামলা ও হামলার হুমকিতে। তার সবকিছুর পিছনে সেল্টার দিয়ে থাকে তার পরিবার ও থানা পুলিশের কিছু অসৎ অফিসার।
সাহাব উদ্দিন তার অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন- তার পূত্র সোহেল মিয়া (২০) একজন চরিত্রবান ছেলে সে সারমিনের এই অসামাজিকতায় বাধা দিলে এরপর সারমিন তাকে শারিরীক সম্পর্কের জন্য বারবার অফার করে । কিন্তু সে কিছুতেই রাজি হয়নি। পরে সারমিন কিপ্ত হয়ে সোহেলকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে থাকে।
গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের কিছু কর্মকর্তার সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ো তোলে সারমিন ও তার অর্থলোভী পরিবার। যার ফলে সোহেল মিয়ার উপর কিপ্ত সারমিন নিজে বাদি হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। যার মামলা নম্বর (৪০(৮)১৯।
মামলার পর গত ২৯ আগস্ট একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দিয়ে সোহেলকে থানায় নেওয়ায় সারমিন। সোহেল থানায় যাওয়ার পর ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে আটক করে। এতে করে সোহেল ও তার পরিবার আইনী হয়রানির শিকার হন। তার এক মাত্র কারণ থানা পুলিশ ওই মামলা কোন ধরণের তদন্ত ছাড়া সত্যতা যাচাই না করে সারমিনের দেওয়া অভিযোগ অনুযায়ী মামলা রেকর্ড করে একটি নিরীহ পরিবারকে হয়রানি করছে।
তাই উক্ত মামলাটি সঠিক তদন্ত করে এই সাজানো মিথ্যা মামলা থেকে রক্ষ্যা পেতে জলা পুলিশ সুপারের নিকট আশু হস্থক্ষেপ কামনা করছেন সাহাব উদ্দিন ও স্থানীয় এলাকাবাসী।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd