সিলেট ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৪:১৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৯
স্টাফ রিপোর্টার :: আগামী মার্চ থেকে পাঁচ ধাপে সারাদেশে শুরু হচ্ছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। ইতোমধ্যে এই নির্বাচন বর্জন ঘোষনা দিয়েছে বিএনপি। বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সিলেট জেলার ১৩ টি উপজেলার মধ্যে ৯ টিতেই চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছিল বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা। তাদের অনেকেই আবারও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে চান। দল নির্বাচনে না গেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীও হবেন তারা। তবে এখনি প্রকাশ্যে স্বতন্ত্র ভাবে নির্বাচনের ঘোষনা না দিয়ে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত মাঠের পরিবেশে পর্যবেক্ষণ করতে চান তারা।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সিলেটের ১৩ উপজেলার মধ্যে এবার ১১ উপজেলায় নির্বাচন হবে। ২০ দলীয় জোটের নেতারা জানান, বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন করলে নেতাকর্মীদের নামে হামলা-মামলা হবে নির্বাচন বর্জন করলেও গায়েবী মামলা হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় জনগনের কাছে যেভাবে পৌছা যায় অন্য সময় তা সম্ভব হয় না। নির্বাচনের মাধ্যমে দল সক্রিয় থাকে। সরকার যদি কারচুপি করে তাহলে জনগন দেখবে, তারা এর বিচার করবে। নির্বাচনে মাধ্যমেই সরকারের আসল রুপ প্রকাশ হবে।
বিএনপি-জামায়াতের সতন্ত্রভাবে নির্বাচন করতে আগ্রহী নেতারা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। তাদের দাবি, নির্বাচন বর্জন করে কিছুই পাওয়া যায়না। অংশগ্রহনের মাধ্যমে কয়েকটি উপজেলা পরিষদে জয় এর থেকে ভালো।
জামায়াতের সমর্থনে গত উপজেলা নির্বাচনে জৈন্তাপুর উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন মো. জয়নাল আবেদীন। এবার তার দল নির্বাচন বর্জন করলে এই জামায়াত নেতা একক ভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। তিনি বলেন, গত নির্বাচন আমি জামায়াতের সমর্থনে বিজয়ী হয়েছিলাম। এবার বিএনপি, ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট নির্বাচন বর্জন করলেও আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবো। স্বতন্ত্র ভাবেই নির্বাচনে জয়ী হওয়ার আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি ।
সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরী বলেন, অপেক্ষায় আছি দলের চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্তের। দল এখন বর্জনের কথা বললেও পরে তা চেইঞ্জ হতে পারে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হবো কিনা এখনি তা বলতে চাই না। নির্বাচনের আগেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে এখনো জামায়াতের সিদ্ধান্ত হয়নি। শীঘ্রই বিষয়টি নিয়ে দলের সিদ্ধান্ত জানানো হবে। তবে নির্বাচনের না যাওয়ার সম্ভবনাই বেশি। তিনি বলেন, এই নির্বাচনের ফল কি হতে পারে তা সবার জানা। সরকার যদি ভোট ডাকাতি করে তাহলে ভোটে গিয়ে কি লাভ হবে?
সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ বলেন, এই সরকার কেমন নির্বাচন করে বা করবে তা জনগণের জানা আছে। এদের অধীনে সুষ্ঠ নির্বাচন নিয়ে বিএনপির শঙ্কিত। এখন পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ি কেউ নির্বাচন করবে না। বিএনপি তার প্রার্থীদের স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করার সুযোগ দেয় কিনা সেটা কয়েকদিন পর জানা যাবে বলেও জানান তিনি।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd