সিলেট ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৬:২৫ অপরাহ্ণ, মে ৫, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, গোয়াইনঘাট :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নে পশুর হাট নিয়ে প্রশাসনের দ্বিমুখী আচরণের অভিযোগ উঠেছে। হাদারপার বাজারে পশুর হাট বন্ধে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকলেও, মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে পীরের বাজারে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে প্রকাশ্যে চলছে ভারতীয় ও দেশীয় গরুর বিশাল হাট।
মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাদারপার বাজারে এলাকায় এলাকায় মাইকিং করা হয়। মাইকিংয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, হাদারপার বাজারে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো প্রকার গরু, ছাগল বা মহিষ ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না। জনস্বার্থে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
প্রশাসনের এই নিষেধাজ্ঞা হাদারপার বাজারে কার্যকর হলেও ইউনিয়নের পীরের বাজারে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো প্রকার বৈধ ইজারা বা অনুমতি ছাড়াই পীরের বাজারে বড় আকারে পশুর হাট বসানো হচ্ছে। হাটে দেশি গরুর পাশাপাশি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আসা ভারতীয় গরুর ব্যাপক কেনাবেচা চলছে। হাট পরিচালনাকারীরা প্রকাশ্যে রশিদ দিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে টাকা (হাসিল) আদায় করছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, হাদারপার বাজারে মাইকিং করে কেনাবেচা বন্ধ রাখা হলেও পীরের বাজারের অবৈধ এই হাটটি বন্ধে এখন পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন বা স্থানীয় থানা পুলিশ কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়নি। একই ইউনিয়নে এক বাজারে কড়াকড়ি এবং অন্য বাজারে অবৈধ কেনাবেচা চলতে থাকায় জনমনে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা বলেন, “হাদারপার বাজারে মাইকিং করে প্রশাসন গরু বিক্রি বন্ধ করল, অথচ পীরের বাজারে ঠিকই গরু বিক্রি হচ্ছে। সেখানে রশিদ দিয়ে টাকাও তোলা হচ্ছে। প্রশাসন সব দেখেও না দেখার ভান করছে কেন?”
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা দ্রুত এই অবৈধ হাট বন্ধে এবং আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd