সিলেট ২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৯ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৫:২৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৮, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের গোয়াইনঘাটে চাঞ্চল্যকর ইয়াহইয়া (২২) হত্যা মামলার দীর্ঘদিনের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই ‘ক্লুলেস’ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত প্রধান পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, নিহত ইয়াহইয়া সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার নাইন্দা হাওর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ও আরও ৭ জন অংশীদার মিলে প্রায় ১২০ বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করেছিলেন। গত ৫ মার্চ রাতে ইয়াহইয়া ও তার দুই সঙ্গী তরমুজ ক্ষেত পাহারায় ছিলেন। পরদিন ইফতারের সময় ইয়াহইয়া বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরবর্তীতে স্থানীয় পিাইন নদীর তীরে তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ১০:৪০ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পরিকল্পিতভাবে বিষাক্ত কিছু খাইয়ে তাকে অচেতন করে হত্যার উদ্দেশ্যে নদীতে ফেলে দিয়েছিল। এ ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ (২৮ মার্চ) রাত ০৩:০০ ঘটিকার সময় গোয়াইনঘাট থানার জাফলং মামার বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার অন্যতম আসামি মোঃ জালাল উদ্দিন (৫৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত জালাল উদ্দিন গোয়াইনঘাট থানার লামা সাতাইন গ্রামের মৃত জমির আলীর ছেলে।
সিলেট র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানিয়েছেন, “গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একইসাথে এই মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের ধরতে আমাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে র্যাবের এই অভিযান সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd