সিলেট ১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৩শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৪:৪২ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১৮, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক :: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই সিলেটে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। লক্ষ্য এবার সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে মেয়র পদে বিএনপির এক ডজন মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে নেমেছেন। নগরজুড়ে শোভা পাচ্ছে বড় বড় বিলবোর্ড, পোস্টার আর ফেস্টুন। ঈদ শুভেচ্ছার আড়ালে মূলত কৌশলে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন প্রার্থীরা।
মাঠে তৎপর একঝাঁক নেতা
নগরীর বিভিন্ন মোড়ে নজর কাড়ছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারণা। এর মধ্যে রয়েছেন- সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়রের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চান তিনি। সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও বর্তমান সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর তিনি সরাসরি মেয়র পদে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান জামান। সিলেটের বহুল আলোচিত রাজনৈতিক চরিত্র। ছাত্র রাজনীতি দিয়ে শুরু, তারপর পৌঁছেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃত্বে। ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক। সিলেটের রাজপথের এই লড়াকু নেতা এবার নেমেছেন দলীয় মনোনয়নের লড়াইয়ে।
সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী যিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী, ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, মিফতাহ সিদ্দিকী, ফয়েজ আহমদ দৌলত এবং প্রবীণ নেতা বদরুজ্জামান সেলিম।
প্রশাসকের অনুরোধ ও দ্বিমুখী অবস্থান
গত বৃহস্পতিবার সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এক বিজ্ঞপ্তিতে বিলবোর্ড ও ফেস্টুন লাগিয়ে নগরের সৌন্দর্য নষ্ট না করার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে মজার ব্যাপার হলো, কাইয়ুম চৌধুরী নিজেও মেয়র পদের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার। তার মতে, প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়াটা ছিল দলের একটি ‘ড্রেস রিহার্সেল’, যা তাকে নগরীর সমস্যাগুলো বুঝতে সাহায্য করছে।
জামায়াত ফ্যাক্টর ও বিএনপির সতর্কতা
জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে বিএনপির খন্দকার মুক্তাদীর জয় পেলেও জামায়াতের ভোটের উল্লম্ফন কপালে ভাঁজ ফেলেছে বিএনপি নেতাদের।
নির্বাচনের দিনক্ষণ অনিশ্চিত
কবে নাগাদ এই নির্বাচন হবে তা এখনও নিশ্চিত নয়। সম্প্রতি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হবে কি না, তা সংসদে সিদ্ধান্ত হওয়ার পরই তারিখ চূড়ান্ত হবে। তবে আইনি বা প্রশাসনিক এই অনিশ্চয়তা দমাতে পারছে না প্রার্থীদের। তারা এখন কেবল কেন্দ্রের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায়।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd