সিলেট ৯ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২১শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১:২১ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১২, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, গোয়াইনঘাট :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ডৌবাড়ী ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা শিবু দাসকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে ভিডিওতে অপরাধের স্পষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তাকে গ্রেফতার না করায় স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে যেখানে দেখা যায়, ডৌবাড়ী ইউনিয়নের উদ্যোক্তা শিবু দাস ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে সুবিধাভোগী মহিলাদের কাছ থেকে ১২০ টাকা করে নিচ্ছেন। সরকারি সেবা প্রদানের নামে এমন প্রকাশ্য অর্থ আদায়ের দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে প্রশাসনের টনক নড়ে।
গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে অনিয়মের বিষয়টি স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে। অভিযুক্ত উদ্যোক্তা শিবু দাসকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে, অপরাধ হাতেনাতে ধরা পড়ার পরও অভিযুক্তকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, এটি একটি সুষ্পষ্ট দণ্ডনীয় অপরাধ।
সচেতন নাগরিকরা প্রশ্ন তুলেছেন- ‘একসেস টু ইনফরমেশন’ (এটুআই) প্রকল্পের অধীনে কাজ করা একজন স্টাফ হয়ে কীভাবে তিনি প্রকাশ্যে এমন অনিয়ম করার সাহস পান? ভিডিওতে জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পরও শুধুমাত্র ‘সাময়িক বরখাস্ত’ কেন? কেন তাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে গ্রেফতার করা হচ্ছে না?
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি অধিকতর তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদনে অনিয়মের চূড়ান্ত প্রমাণ সাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd