সিলেট ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৬শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৬:৫৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১, ২০২৪
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : হবিগঞ্জে যৌতুকের জন্য মুবিনা খাতুন নামে এক গৃহবধূকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিয়েছে পাষণ্ড স্বামী ও পরিবারের লোকজন।
গত বৃহস্পতিবার রতে এ নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় আহত গৃহবধূর আর্তচিৎকার ও মায়ের আহাজারিতে কেঁপে উঠে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ। গত দুই বছর আগে সদর উপজেলার বড়ইউরি গ্রামের সুন্দরী মুবিনার বিয়ে হয় চরহামুয়া গ্রামের প্রবাসী আলমগীরের সঙ্গে। বিয়ের কয়েক মাস পরেই আলমগীর বিদেশ থেকে স্থায়ীভাবে দেশে চলে আসে। এর কিছুদিন পর থেকেই সংসারের খরচ চালাতে যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকে মুবিনাকে। মেয়ের সংসার টেকাতে কয়েকবার টাকা দেয় মুবিনার পরিবার।
সর্বশেষ গেল সপ্তাহে ব্যবসা করার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা আনে আলমগীর। কিন্তু এক সপ্তাহ পরেই দোকানের মালামাল আনার জন্য আরও ৫০ হাজার টাকার জন্য চাপ দেয় সে।
এতে মুবিনা অপারগতা প্রকাশ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন। এ নিয়ে কথাকাটাটির একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার রাতে মুবিনাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে স্বামী ও তার ভাইয়েরা। তার আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। লাঠির আঘাতে তার একটি হাত ও একটি পা ভেঙে গেছে বলে ধারণা চিকিৎসকদের।
নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ মুবিনা খাতুনের অভিভাবক জানান, বিয়ের পর থেকেই টাকার জন্য আমার মেয়েকে মারপিট করতো সে। মেয়ের সুখের জন্য আমরা সুদের উপর টাকা এনে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি। এরপরও টাকার জন্য আমার মেয়েকে মেরে পঙ্গু বানাইয়া দিলো তারা। আমি এর কঠিন বিচার চাই।
হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সৌরভ বিশ্বাস জানান, গুরুতর আহত মুবিনার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার হাত ভেঙে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd