সিলেট ১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২২শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৯:১৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৯, ২০২১
ক্রাইম প্রতিবেদক :: সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন ইউনিট যেখানে লেখা রয়েছে মারাত্মক সংক্রমণ প্রবণ এলাকা ও প্রবেশাধীকার সংরক্ষিত। কিন্তু এই ইউনিটের ভিতর প্রবেশ করে কোরানা আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে লাইভ করেছে একটি ভেদভেদা লাইভ টিভি। যার নাম ‘সিলেট টিভি’ শুধু মাত্র একটি ফেসবুক পেইজ খুলে নাম দিয়েছে টিভি। এদের যন্ত্রণায় অতিষ্ট সিলেটের টিভি সাংবাদিকরা।
অথচ সিলেটের প্রকৃত সাংবাদিকরা মেডিকেলের কোন সংবাদ প্রকাশ করতে হলে পরিচালকের অনুমতি নিয়ে ওয়ার্ডের ভিতর প্রবেশ করেন। কিন্তু এই ভেদভেদা লাইভ টিভি কোন ধরণের অনুমতি না নিয়ে হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন ইউনিটে প্রবেশ করে প্রকাশ্যে লাইভ করলেও কেউ তাদের বাধা প্রধান করেননি। এই পর্যন্ত কোন পত্রিকার সাংবাদিকরা করোনা ওয়ার্ডের ছবি তোলেনি। পত্রিকায় প্রকাশ করতে দেখা যায়নি। এত কিছুর পরও এই ভেদভেদা লাইভের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোন ধরণের বাধা প্রদান করেননি।
তাদের এই লাইভে নিয়ে সরাসরি পুরুষ ওয়ার্ডে না গিয়ে ভিউ বাড়ানোর জন্য মহিলা ওয়ার্ডে প্রবেশ করা হয়। পর্দাশীল নারীদের লাইভের মাধমে সরাসরি চিত্র ধারণ করে এই ‘ভেদভেদা’ টিভি। লজ্জায় নারীরা মুখে কাপড় দিয়েও তাদের মোবাইল ক্যামেরা থেকে রক্ষা পাননি।
এই ভেদভেদা টিভির উপস্থাপক আলী হায়দার মিদুল ও তার মোবাইলম্যান করোনা রোগীর স্পর্শে গিয়েছেন। এখন এদের আইসোলেশনে থাকা জরুরী বলে দাবি করেছেন সিলেটের সচেতন মহল।
করোনা ওয়ার্ডে ভর্তিরত একজন রোগীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আমার বোন নিয়ে কোন প্রাইভেট হাসপাতালে বেড না পেয়ে বাধ্য হয়ে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। অথচ এলাকার কোন লোক জানেন না আমার বোনের করোনা। কিন্তু এই লাইভে আমার এলাকার লোকজন বিষয়টি জেনে গেছেন। তাদের লাইভের কারণে আমার বোনের সম্মান হানী হওয়ার পাশাপাশি আমার প্রতিবেশীরা আতঙ্কে রয়েছেন। আমরা এসকল লাইভ বন্ধের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মহোদয়ের আশু হস্খক্ষেপ কামনা করছি।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd