সিলেট ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৪:৫৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০২০
আফজালুর রহমান চৌধুরী :: সিলেট সদর উপজেলার এয়ারপোর্ট থানাধীন টুকেরবাজার ইউনিয়নের কেওয়াছড়া বাগানের লেভার বস্তিতে রমরমা চলছে জুয়ার জুয়া ও মাদকের আসর। চলে ভারতী তীর এবং নেশার দ্রব্য। দলে দলে জুয়াড়ি আর মাদকসেবীদের বস্তিতে আসা-যাওয়া থাকলেও অদৃশ্য কারণে প্রশাসন নিরব।
অনুসন্ধানে জানাযায় প্রতিবছর দুর্গাপূজার শুরু থেকে শিতের পুরো সিজন। প্রতিদিন বিকেল গড়িয়ে সন্ধা নেমে এলেই বস্তির দুলাল, শিতন, রনি ও সুহেল ও তাদের সহযোগিদের পরিচালনায় একেকদিন একেক স্থানে উন্মোচিত হয় জুয়ার বোর্ড। এতে আশপাশ সহ দূরদূরান্ত থেকে আগত জুয়াড়ির উপস্থিতে জমজমাট হয়ে বোর্ড স্থাপিত এরিয়া।
এতে নিঃস্ব হচ্ছে মেহনতি শ্রমিক সহ আগত অনেকেই। বাগান এলাকায় হাতের নাগালেই রয়েছে চোলাই মদ, গাজা ও বিভিন্ন নেশার দ্রব্যাদি। আগত জুয়াড়ি নেশা পান করে আসন জোড়েন জুয়ার বোর্ড, এমন আসন যেনো ক্যসিনোকেও হার মানায়। অনুসন্ধানে দেখা যায় মূল অভিযোক্ত ব্যক্তিরা বোর্ড থেকে নিরাপদে অবস্থান করে দিন মজুরকে দিয়ে বোর্ডের পরিচালনা করা হয়।
এ বিষয়ে অভিযোক্ত দুলালের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্রাইম সিলেটকে জানান, বোর্ডের লগে আগে আমি আছলাম এখন নাই। কে কে আছে এমন প্রশ্নের জবাবে তাহার কাছ থেকে সে ছাড়া বাকি সবার নাম উঠে আসে। বোর্ড এর জন্য কাউকে টাকা দেওয়া হয় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন সিরাজ নামক এক বেক্তিকে কিছু দেওয়া হয়।
রনি ও সোহেলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদের সম্পৃক্ততা অস্বিকার করে বলেন বাগানে প্রতিদিনই জুয়ার বোর্ড বসে আপনারা এসে দেখে যান কে বা কারা চালায়।
এ বিষয়ে ৬নং টুকের বাজার ইউপির ৭নং ওয়ার্ড সদস্য শফিক মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্রাইম সিলেটকে জানান এলাকাটি আমার বাড়ি থেকে প্রায় ১১ কিঃমিঃ দূরে বিদায় সেখানকার জুয়ার বোর্ডের বিষয় আমি অবগত নই। তিনি বলেন জুয়ার বোর্ড এর বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd