প্রচ্ছদ

প্রকাশিত সংবাদের ভিন্নমত

২৪ মে ২০১৯, ২৩:৩৪

স্টাফ রিপোর্টার ::

Sharing is caring!

গত ২২ মে বুধবার অনলাইন নিউজ পোর্টাল ক্রাইম সিলেট এ প্রকাশিত ‘‘নগরীর সুবিদবাজারে সুমনার উপর হামলার ঘটনায় ছেলে আটক’’ শিরোনামের ওই সংবাদের ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন নগরীর পাঠানটুলার এলাকার কুচারপাড়ার শাহনুর আহমদ।

তিনি এক প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, উক্ত সংবাদে উল্লেখ্য করা হয়েছে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে শাহনুর নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। কিন্তু এ ঘটনার সাথে শাহনুর জড়িত নয়। তিনি মূলত আহত সুমনা বেগমকে রক্ত দেওয়ার জন্য ওসমানী মেডিকেলে যান। এই ঘটনার সাথে বিন্দুমাত্র জড়িত নয় বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গ, বাজারের টাকা দেবার কথা বলে নিজের তৃতীয় স্ত্রী সুমনা বেগমকে (৩০) কে ডেকে আনেন স্বামী মুহিবুর রহমান বেলাল। এরপর সুমনা বেগমকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেন বেলালের প্রথম স্ত্রীর ছেলে ইমন।

বুধবার (২২ মে) রাত ১০ টায় সিলেট নগরীর পাঠানটুলা এলাকার সানরাইজ কমিউনিটি সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহত সুমনা বেগমের মেয়ে ফাইজা আক্তার বলেন, বাজার করে দেবার কথা বলে আমার মাকে পাঠানটুলা স্কুলের সামনে যেতে বলেন আমার মায়ের তৃতীয় স্বামী মুহিবুর রহমান বেলাল। তিনি যথারীতি বাজারের টাকা হাতে দিয়ে আড়াল হয়ে যান। এরপরই ঘটনাস্থলের পাশে উৎপেতে থাকা মুহিবুর রহমান বেলালের প্রথম স্ত্রীর ছেলে ইমনের নেতৃত্বে চার-পাঁচজনের একটি দল মায়ের উপর হামলা চালায়। হামলার সময় দা, ছুড়িসহ অন্যান্য দেশীয় অস্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে সিএনজি চালকরা তাকে উদ্ধার করে তাকে সিলেট এমএমজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে ওসমানী মেডিকেল কর্তৃপক্ষ তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন।

রুমানা বেগমের প্রথম বিয়ের সন্তান ফাইজা আক্তার এবার চৌধুরী আমেনা আব্দুল বারী স্কুল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। তিনি নিজের মায়ের বরাত দিয়ে বলেন, জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ ও পারিবারিক নানা সমস্যার কারণে ইমন, শাহনুর, শাকিল, জয়নাল আবেদীন, রুনার নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। এর আগেও আমার মাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিল ইমন। তখন আমার মা কোর্টে মামলা করার জন্য গেলে বাবা ও ইমন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এরপর মা ভয়ে মামলা করার সাহস পাননি।

  •  
  •  
  •  

আর্কাইভ

shares