সিলেট ২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:১৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৯
স্টাফ রিপোর্টার :: দক্ষিণ সুরমায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নববধূ মাহফুজা আনজুম তাসনীম তাপাদার (২০) ও তার দুই ননদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
গত শনিবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার বদিকোনা পশ্চিমপাড়া মারকাজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
রোববার বেলা ১১টায় ওসমানীনগর উপজেলার আলহাজ্ব মিনা বেগম নুরানীয়া মহিলা দাখিল মাদরাসায় তাসনীমের প্রথম জানাজার নামাজ ও দুপুর ২টায় তার স্বামীর বাড়ি দক্ষিণ সুরমার সিলামে দ্বিতীয় জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। তাসনীমের মরদেহ মহিলা মাদরাসায় নেয়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তিনি ছিলেন আলহাজ্ব মিনা বেগম নুরানীয়া মহিলা দাখিল মাদরাসার সুপার ও ওসমানীনগর উপজেলা জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাইয়ুমের বড় মেয়ে এবং ওই মাদরাসার সাবেক ছাত্রী। তার বাড়ি জকিগঞ্জ উপজেলার হাতিডহর গ্রামে। একই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন নববধূর ননদ লিয়া বেগম (১৭) ও আয়শা (১৮)। লিয়া দক্ষিণ সুরমার মোহাম্মদপুর গ্রামের সৈয়দ মজলিস আলীর মেয়ে। তিনি দক্ষিণ সুরমা ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। আর আয়শা (১৮) একই গ্রামের লিয়াকত হোসেনের মেয়ে। তিনি দক্ষিণ সুরমা নুরজাহান মেমোরিয়াল কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। নিহত লিয়া ও আয়শা একে অপরের চাচাতো বোন। জানা যায়, গত ১০ ফেব্রæয়ারি তাসনীমের বিয়ে হয়। তার স্বামী ফ্রান্স প্রবাসী সৈয়দ জুবায়ের হোসেন। স্বামীকে নিয়ে দাওয়াত খেতে গত শনিবার তিনি সিএনজি অটোরিকশাযোগে তার নানার বাড়ি শহরতলীর আলমপুরে যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন তার দুই ননদ। পথিমধ্যে বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার বদিকোনা পশ্চিমপাড়া মারকাজের সামনে যেতেই তারা নির্মম দুর্ঘটনার শিকার হন। নববধূ তাসনীমের স্বপ্ন ছিল প্রবাসী স্বামীকে নিয়ে একটি সুখী পরিবার গড়ার। কিন্তু হাতের মেহদীর রঙ মুছে যাওয়ার আগেই তার প্রাণ কেড়ে নিল ঘাতক বাস। চিরদিনের জন্য তাকে চলে যেতে হলো না ফেরার দেশে। একটি সড়ক দুর্ঘটনায় তছনছ হয়ে গেল ৪টি পরিবারের সকল স্বপ্ন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd