সিলেট ৯ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২১শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৬:০২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১২, ২০১৮
খলিলুুর রহমান :: সিলেটের গোয়াইনঘাটে উদ্বেগ ও আতংকের মধ্যে দিনযাপন করছে কয়েকটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। স্থানীয় ভ’মিদস্যুরা তাদেরকে ভিটেছাড়া করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। নিজেদের ঘরবাড়ি ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ওই পরিবারগুলো বালাদেশ পুলিশের আইজিপি বরাবরে লিখিত আকুতি জানিয়েছে।
জানা গেছে,গোয়াইডনঘাট উপজেলার চৈলাখেল ৩য় খন্ড প্রকাশিত সোনাটিলা আদর্শগ্রামে তামাদি মুদ্দত ধরে বসবাস কওে আসছে একাত্তুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা তারা মিয়ার পরিবারসহ বেশ কয়েকটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। তারা বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পুর্নবাসন স্বাধীনতার রাষ্ট্রীয় দলিল মোতাবেক দীর্ঘ ৪০/৪২ বৎসর যাবত ওই এলাকায় বসতবাড়ি ও ঘর তৈরী করে বসবাস করে আসছে। এলাকাটি বনবিভাগের ভ’মি হলেও দখলমূলে তারা মালিক দখলকার হয়ে আসছেন এবং বাংলাদেশ জরিপে সরকারীভাবে তাদের নামে দখল মালিকানা বুঝে দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি এলাকার একটি চাঁদাবাজ ভ’মিদস্যু ও সন্ত্রাসী চক্র ওই মুক্তিযোদ্ধা পরিবারগুলোর কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা দিয়ে তাদের খুশি রাখতে না পারায় ওই চক্র তাদেরকে বসতভিটে থেকে তাড়িয়ে দেয়ার হুমকি ধমকি-সহ নানা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনে বারা বার ধরণা দিয়েও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারগুলো তাদের নিরাপত্তা বিধানে কোনরূপ আইনী সহায়তা না পেয়ে তারা বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি’র সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
গোয়াইনঘাট উপজেলার চৈলাখেল ৩য় খন্ড প্রকাশিত সোনাটিলা আদর্শগ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা তারা মিয়ার স্ত্রী ফলানী বেগম সম্প্রতি আইজিপি বরাবরে লিখিত অভিযোগে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিরোধী একটি চক্রের নামের তালিকা পেশ করেছেন। যারা সবসময় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারগুলোকে নির্যাতন ও নিপীড়ন করে চলেছে। ফলানী বেগমের ভাষায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর নিপিীড়নকারীরা হচ্ছে,সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার মুসলিম নগরের মৃত রুহুল আমিনের পুত্র মিন্টু, একই গ্রামের মৃত জয়নাল মাষ্টারের পুত্র নজরুল ও মুতালিব সরকারের পুত্র কাশেম সরকার। উপজেলার সোনাটিলার মৃত মর্তুজ আলীর পুত্র মানিক, উপজেলার আঃ মহলের মৃত ফয়জুর রহমানের পুত্র লুৎফুর রহমান মোল্লা, নলজুরি গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের পুত্র আজাদ, কালিনগর গ্রামের মৃত নাঈম উদ্দিন-এর পুত্র ফরমান ও ফরহাদ, চৈলাখেল কৈকারকান্দি পাড়ের মৃত তাজুল ইসলাম’র পুত্র রইজ উদ্দিন, একই ছৈলার খালের মৃত গোলাম হোসেন-এর পুত্র রফিক, মৃত কাসেম-এর পুত্র আব্দুর রশীদ, মুক্তা মিয়ার পুত্র ছেদু মিয়া ও শান্তি নগর গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর পুত্র জয়নাল আবেদীন । তাদেরকে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী ও ভ’মিদস্যূচক্র উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপির কাছে আকুতি জানিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারগুলো।
আবেদনের অনুলিপি সিলেটের পুলিশ সুপার ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্ট অব বাংলাদেশ বরাবরেও প্রেরন করা হয়েছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd