সিলেট ২৫শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৫ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২০, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আগামী দিনের নেতৃত্ব নিয়ে নগরজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। বিশেষ করে রাজপথের লড়াকু সৈনিক এবং পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকীকে ঘিরেই এখন আবর্তিত হচ্ছে সিলেটের রাজনৈতিক সমীকরণ। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার, ত্যাগের মহিমা এবং সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্কের কারণে নগরবাসী তাকে আগামীতে মেয়র হিসেবে দেখার দাবি তুলছেন।
আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী সিলেটের রাজনীতিতে এক অনন্য নাম। তিনি সিলেট জেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে রাজনীতি শুরু করে ধাপে ধাপে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সর্বশেষ মহানগর বিএনপির আহবায়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। দলীয় শৃঙ্খলার প্রতি অবিচল থেকে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন যে, পদের চেয়ে আদর্শই তার কাছে বড়।
রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও একজন সফল জনপ্রতিনিধি হিসেবে পংকীর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। তিনি তিন তিনবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন এবং নিষ্ঠার সাথে প্যানেল মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। নগরীর ভাতালিয়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে তাকে সবসময় পাশে পাওয়া যায়। এছাড়া অসংখ্য সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে তিনি মানবিক সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সিলেটে বিএনপির দলীয় রাজনীতির ইতিহাসে আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকীর অবদান অনস্বীকার্য। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ সময় সিলেট মহানগর বিএনপির স্থায়ী কোনো কার্যালয় না থাকায়, পংকী তার নিজস্ব কার্যালয়কেই দলের কার্যক্রমের জন্য উম্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে এই কার্যালয়কে কেন্দ্র করে তাকে চরম দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। জেল-জুলুম ও নির্যাতনের মুখেও তিনি আপসহীন থেকেছেন। এমনকি দলের বৃহত্তর স্বার্থে ইতিপূর্বে নিজের বিজয় নিশ্চিত জেনেও দলীয় সিদ্ধান্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে আনুগত্যের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
সিলেট নগরীর উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে পংকীর মতো অভিজ্ঞ ও সৎ নেতার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডা-সবখানেই এখন একই দাবি, ‘তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতাকেই নগরের অভিভাবক হিসেবে দেখতে চাই।’
এলাকার বাসিন্দারা জানান, “তিনি কেবল একজন নেতাই নন, তিনি আমাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার। তাকে মেয়র হিসেবে পেলে সিলেট একটি আধুনিক ও মানবিক নগরী হিসেবে গড়ে উঠবে।”
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd