সিলেট ২৫শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৫ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৯:০৪ অপরাহ্ণ, জুন ১৫, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : অনেক সময় বলতে শুনা যায় দেশে আইন কানুন নেই,আইন প্রয়োগকারী ব্যক্তি, প্রতিস্টান, সংস্থা আইন সঠিক মতে প্রয়োগ করছেন না, এ ধারণা টা সম্পুর্ন ভূল। আইন আছে বলেইতো দেশ চলছে আর এটাই প্রমান করলেন সিলেট জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম এর নির্দেশে গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ইউএনও’র সার্বিক সহযোগীতায়, গোলাপগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) শবনম শারমিন ও সিলেট পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আলমগীর এর উপস্থিতিতে গোলাপগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গাল হাঁটা গ্রামে বহুল আলোচিত টিলা কেটে পরিবেশ বিনষ্টকারী নাজিম উদ্দীন গংদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিয়ে।
এলাকার সব মানুষ এক ভুয়সী প্রশংসা করে বলেন বিগত ১০ বৎসরের মধ্যে এমন নজির আমরা দেখী নাই,সরজমিনে উপস্থিত হয়ে গোলাপগন্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি )শবনম শারমিন ও সিলেট পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আলমগীর মোবাইল কোট এর মধ্যেমে টিলা কেঁটে পরিবেশ বিনিষ্টকারীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্হা নেন।
যে স্থানে টিলা কাটা হয়েছে এই স্থানে প্রায় ৭৫ ফুট লম্বা ২০ফুট উচ্চতা রড দিয়ে আরসিসি ঢালাই দিয়ে দেওয়াল নির্মান করতে ও পুনরায় যে ভাবে ছিল টিলার মাটি ঐ ভাবে ৪০ দিনের মধ্যে ভরাট করে দিতে লিখিত নির্দেশ প্রদান করেন। এবং তাৎক্ষনিক ৫০ হাজার টাকা অনাদায় ১ মাসের জেল প্রদান করছেন। এ অভিযান পরিচালনা হয় ১৪ জুন রবিবার দুপুরে।
সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘদিন থেকে সিলেটের গোলাপগঞ্জে উপজেলার জাঙ্গাল হাঁটা গ্রামে নাজিম উদ্দীন ও তার ছেলেরা মিলে অবৈধভাবে টিলা কেটে পরিবেশ বিনষ্ট করে আসছে। টিলা কেটে পরিবেশ বিনষ্টকারী নাজিম উদ্দীন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে পূর্বেও আইনী ব্যবস্হা নিতে, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশে গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ইউএনও’ র সার্বিক সহযোগীতায় নাজিম উদ্দীন ও তার ছেলেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া হয়েছিল।
বহুল আলোচিত জাঙ্গাল হাঁটা গ্রামে পূর্বপরিকল্পিত অবৈধ ভাবে টিলার মাটি কেঁটে দু পাশের দুটি বসত বাড়ী ধংস ও হুমকির মুখে ফেলে দেয়। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য রেহানা পারভীন ভুমি ও পরিবেশ অধিদপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন নিবেদন করেও কোন ফলাফল না পাওয়াতে বিষয়টি সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কে জানালে, তিনি টিলার মাটি কাঁটা বন্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যাবস্থা নিতে গোলাপগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে নির্দেশনা প্রদান করেন।
নির্বাহী কর্মকর্তার সার্বিক তত্বাবধানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) শবনম শারমিন গত ৩ মার্চ , জাঙ্গাল হাঁটা গ্রামের নাজিম উদ্দীন ও তার সহযোগী কর্তৃক জোর পূর্বক আইন লঙ্গন করে অবৈধ ভাবে টিলার মাটি কাটার স্থান পরিদর্শন করেন । এসি ল্যন্ড সরজমিন ঘটনার সত্যতা পেয়ে পুনরায় আর মাটি না কাটতে এবং কোন প্রকার স্থাপনা তৈরি না করার নির্দেশ সহ নাজিম উদ্দীন ও তার সহযোগী দের বিরোদ্ধে আইনী প্রক্রিয়া গ্রহনের পরও নিজাম উদ্দিন ও তার ছেলেরা টিলা কেটে পরিবেশ ধংসসহ পাশাপাশি দুটি বাড়ি হুুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে।এর পরিপ্রেক্কিতে আজ ভুমি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মাধ্যমে অভিযানে এ দন্ড প্রদান করা হয়। কথায় বলে না, অন্যের জন্য কুপ কুড়ে নিজেই এই কুপে পড়লেন নিজাম উদ্দিন।
অভিযান শেষে, এক প্রতিক্রিয়ায় ভুক্তভোগী অভিযোগকারী মোছাম্মদ রেহানা পারভীন ও এতিম হাবিবা আক্তার সীতি এমন নজীরবিহীন বিচারে সন্তুষ্ট করে ছিল প্রকাশ করেন এবং সিলেট বিভাগী কমিশনার, সিলেট জেলা প্রশাসক, গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসিল্যান্ড, ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালকের প্রতি কৃজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd