সিলেট ২৫শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৫ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৯:০৪ অপরাহ্ণ, জুন ১০, ২০২০
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৫০গিয়ে দাঁড়িয়েছে। অপরদিকে ভোগান্তি বাড়ছে নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রে। ৯দিন পেরিয়ে গেলেও পাওয়া যাচ্ছেনা নমুনা পরীক্ষার ফলাফল। আক্রান্তরা বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আতংঙ্ক ও উৎকন্টায় রয়েছে সচেতন মহল।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সূত্রে যানাযায়, এপর্যন্ত উপজেলায় কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সহ সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থান হতে প্রায় সাড়ে ৪শত জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তারমধ্যে গত ৯জুন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০জনে। আক্রান্তদের মধ্যে হতে ১জন মৃত্যু বরণ করেছে, ২জন সুস্থ্য হয়েছে বাকিরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাধিন রয়েছে। গত ২রা জুন হতে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৯জুন পর্যন্ত প্রায় ৬২জনের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে প্রেরণ করা হলেও তাদের ফলাফল এখন পর্যন্ত আমাদের হাতে এসে পৌছানি। এছাড়া ১০জুন বুধবার আরও ২৩টি নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে প্রেরণ করা হয়েছে।
এলাকার সচেতন মহল জানান, আমরা কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া কারনে ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যবসায়ীবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সচেতন মহল ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিদিন বিকাল ৫টায় জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের সকল প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। প্রত্যেক ব্যবসায়ী এবং ক্রেতা সাধারণকে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান করেন নির্দেশনা জারী করি। ইত্যেমধ্যে উপজেলার আক্রান্তদের মধ্যে সচেতনরা বিনা করনে বাজারে ঘুরাফেরা করছে, অনেকেই বলছেন আমরা সুস্থ কিন্তু ডাক্তারী পরীক্ষায় সুস্থতার সনদ না পেয়ে তাদের এমন ঘুরা ফেরার কারনে সচেতন মহল অনেকটা আতংঙ্ক উৎকন্টায় রয়েছেন।
তারা আরও জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে অনেকের নমুনা প্রেরণ করা হলেও তাদের ফলাফল এখনো আসেনি, যারা নমুনা দিয়েছেন তারাও বাজারে ঘুরাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। এই কারনে উপজেলার সদর এলাকায় করোনা ভাইরাস নিরবে বিস্তার করছে বলে অনেকেই মনে করছেন। সচেতন মহল মনে করে ইতেমধ্যে যারা আক্রান্ত হয়েছেন তারা নিজ নিজ বাড়ীতে সটিক ভাবে আইসোলেশনে থাকার জন্য প্রশাসনকে কঠোর প্রদক্ষেপ গ্রহন করার দাবী জানান, অন্যতায় ভাইরাসটির পাদূভাব মারাত্বক আকার ধারণ করবে। সচেতন মহল আরও বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সংসদ সদস্য যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রেরীত নমুনা সমুহ দ্রুত পরীক্ষার জন্য জোর দাবী জানান। তবেই আমরা কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস হতে মুক্তি পাব।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd