প্রবাসী আব্দুল আহাদ হত্যা: মূল আসামিদের বাদ দিয়ে অন্যদের নামে চার্জশিট

প্রকাশিত: ৮:৪১ অপরাহ্ণ, জুন ১৮, ২০১৯

প্রবাসী আব্দুল আহাদ হত্যা: মূল আসামিদের বাদ দিয়ে অন্যদের নামে চার্জশিট

কুয়েত প্রবাসী আব্দুল আহাদ হত্যার মুল আসামীদের বাদ দিয়ে নিরীহ নিরাপরাধ লোকদের আসামী করে চার্জসিট দেয়ায় দেশে ও কুয়েত প্রবাসীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ উত্তেজনা বিরাজ করছে। মামলাটিপুনঃতদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আসামীকরে চার্জসিট প্রদানের জন্য কুয়েত প্রবাসীরা সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। কুয়েত প্রবাসী আওযামিলীগ নেতা আব্দুল আহাদ গত ৩১ আগষ্ট ২০১৮ইং রাত সাড়ে দশটার সময সিলেট শহরস্হ ঝিন্দাবাজারে কতিপয় দুর্বৃত্তের উপর্যোপরী ছুরিকাগাতে খুন হন। এ হত্যাকান্ডকে পুঁজি করে কুয়েত প্রবাসের একটি স্বার্থন্বেসী মহল তাদের পুর্ব শত্রুতা চরিতার্থ করার জন্য তৎপর হয়ে উঠে।তাদের তৎপরতায় মামলার বাদিনী( নিহতের স্ত্রী) প্রভবিত হযে বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেযারম্যান পদপ্রার্থী মধ্যবিত্ত সম্ভ্রান্ত মুসলীম মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান বিয়ানীবাজার উপজেলা বংগবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি কুয়েত আওয়ামিলীগের একাংশের সাংঘঠনিক সম্পাদক কুয়েত কমিনিটির একাংশের সাংঘঠনিক সম্পাদক ওসমানীস্মৃতীপরিষদ কুযেত শাখার সিনিযর সহসভাপতি আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কুযেত শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক গ্রীন ক্রীসেন্ট সসোাইটি কুয়েত শাখার সাধারন সম্পাদক নিরীহ নিরাপরাধ ব্যাক্তি সাদা মনের মানুষ হুসেন মুরাদ চৌধুরীকে অভিযুক্ত করে গত ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং সিলেট সদরস্হ কোতোয়ালী থানায় একটি মিথ্যা পরিকল্পিত এজহারপ্রদান করে। মামলা নং১/ ৪১৯। এজহারে বাদিনী বলেছে সে তার স্বামির কাছ থেকে জেনেছে চৃড়খাইর জনৈক মুরাদের কাছে তার স্বামী মুটা অংকের টাকা পাবে।ঐ টাকা নেযার জন্য তার স্বামী ২৩ আগষ্ট ২০১৮ইং সিলেটে এসেছিলো।ঐ দিন রাত্রে বাড়ীতে ফিরে সে বলে মুরাদ তাকে আশ্বস্হ করছে যে কিছুদিনের মধ্যে ফখরুল ইসলাম শান্ত ও সিরাজুল ইসলাম সুরুকী এ টাকা ফেরত দিবে।এরপর ঘঠনার দিন শান্ত ও সুরুকী নিহত আঃ আহাদকে টাকা দেযার কথা দিযে সিলেট নিযে যায়।আহাদ কুযেতে সাড়াদিন নিজেকে মোবাইলের লাইব অনুষ্টান প্রচার প্রচারে নিজের নাম জস নিযে ব্যাস্হ থাকতো।সে কোন রোজগারই করতো না।সেকাকে টাকা দিবে।সেই চলতে পারতোনা।মুরাদ নয! কুযেতে এমন কাউকে খুজে পাওযা যাবেনা যে ওর কাছে আহাদ টাকা পাবে।বরঞ্চ নিহত আব্দুল আহাদের কাছে কুযেতে অনেকে টাকা পেতো।কুযেতে টাকা পেলে আহাদ কুযেতে খুজবে দেশে টাকা খুজবে কেনো।কুয়েতের সাড়ে তিন লক্ষ বাংলাদেশী লোকের মধ্যে কেহ জানেনা আঃ আহাদ মুরাদের কাছে টাকা পাবে।২৩আগষ্ট ২০১৮ইংদুপুর ১২টার সময মুরাদ দেশ থেকে ছুটি কাটিযে কুয়েত চলে আসে! তবে আহাদ তাকে পেলো কোথায। এছাড়া শান্ত ও সুড়কীর সাথে মুরাদের কোন পরিচয নেই।অথচ এদের সাথে নিহত আহাদের সুসম্পর্ক ছিলো।কিছুদিন পুর্বে ও শান্তের বোনের বিযেতে আব্দুল আহাদ গিযেছে।ঘঠনার দিনে ও আঃ আহাদ সুরুকীর বাড়ীতে দাওয়াত খেয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা চাইলে অত্যধুনিক প্রযুক্তি ব্যাবহার করে সিসিটিবির ফুটেজ দেখে আহাদের ও ধৃত আসামীদের মোবাইলের কললিষ্ট পরীক্ষাকরে প্রকৃত আসামী চিঞ্চিত করতে পারত।তদন্তকারী দারগার সদিচ্ছা থাকলে কোন আসামী দেশের বাহিরে পালিযে যেতে পারতো না।এদের সবাইকে পুলিশ ধরতে পারতো।পুলিশ এদের হাতের নাগালে পেযে ও ইচ্ছা করে এদের পালানোর সুযোগ করে দিযেছে।এমনকি পুলিশ ধৃত তিনজন আসামীকে দিয়ে ১৬৪ধারায জবানবন্দি আদালতে রেকর্ড করতে পারতো।কিন্তু তদন্তকারী দারগা মাত্র একজনের জবানবন্দি ১৬৪ধারায আদালতে রেকর্ড করে।অন্য দুইজনের জবানবন্দি রেকর্ড করেনি। এদের জবানবন্দি রেকর্ড করলে তাদের জবানবন্দিতেই প্রকুত খুনের রহস্য ও প্রকৃত খুনির নাম বেরিযে আসতো। এজহারে উল্লেখিত আসামী ওলামা লীগ নেতা সুরুকীকে পুলিশ মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ায এবং পুলিশের উদাসিনতায ধৃত আসামীরা জামিনে মুক্তি লাভ করায মামলার ভবিষ্যত নিযে অনেক স্বন্ধিহান ও সংকিত হযে পড়েছেন।তদন্তকারী দারগার মামলা তদন্তে সততা সদিচ্ছা নিযে সর্বত্র জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিযেছে।এঘঠনায কে বা কারা টাকার যোগান দিযেছে।এবং কেনো কি কারনে কারা খুন করেছে এসব তথ্য উদঘাঠন করতে পারলেই খুনের মুটিব বেরিয়ে যেতো।এতে পরিস্কার হযে যেতো আসামী কে বা কারা। পুলিশ রহস্যজনক কারনে এসব স্পষ্ট না করে দীর্ঘ ৮মাস মামালা ঝুলিযে রেখে আক্মসিকভাবে নিরীহ নিরাপরাধ হুসেন মুরাদ চৌধুরীকে আসামীকরে আদালতে দায় সাড়া একটি চার্জসিট দিয়ে মামলাটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলেছে। এব্যাপারে গত ১৩ জুন ২০১৯ইং রাত ১০টার সময হুসেন মুরাদ চৌধুরী কুয়েতস্হ সিটিতে একটি সাংবাদিকসম্মেলন করে ঐ স্পর্সকাতর মামলায় তাকে সম্পুর্ন মিথ্যাভাবে আসামী করায নিজেকে নিরাপরাধ নির্দোষ দাবী করেএর তীর্ব প্রতিবাদ জানান। তিনি ঘঠনাটি পুনঃ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আসামী করার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন সহযোদ্ধা আঃ আহাদ হত্যামামলায প্রকৃত আসামীকে বাদদিযে নিরীহ মানুষকে আসামী করা হলে আহাদের পরিবারের সদস্যরা অবশেষে বিচার পাবেনা।এতে আহাদের আত্মা কষ্টপাবে।তিনি প্রশ্ন রাখেন নিহত আব্দুল আহাদের একই এলাকার ঘনিষ্ট বন্ধু কুয়েতে কর্মরত জনৈক শামীম আহাদ নিহতের সময দেশে ছিল।

কিন্তু সে আহাদের জানাযায যায নাই কেন?ইহা জনমনে নানা রহস্যের সৃষ্টি করেছে তিনি আরো বলেন শামীমের কুয়েতেএকটি মাঝরা রয়েছে।ইহা দেখিযে অনেক লোককে আকামা লাগানোর কথা বলে বা শ্রমিকদের রিলিজ দেয়ার কথাবলে কুয়েত প্রবাসীদের কাছ থেকে মুটা অংকের টাকা নিযে প্রবাসীদের ঘুরাইতে থাকে।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..