বাজারে কোনো পন্যের সষ্কট না থাকলেও এক শ্রেনীর মজুদদার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পন্যমূল্য বৃদ্ধি করছে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন। ক্রেতারা জানান বাজার নিয়ন্ত্রনে সরকারি কোনো মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছা মতো বিভিন্ন অজুহাতে পন্যের মূল্য বৃদ্ধি করছেন। এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে পন্যের দাম আরো বাড়বে বলে আশস্কা করছেন ক্রেতারা।
মুদি দোকানের মালিক জানান, পাইকারি বাজার কিনে এনে বিক্রি করি। কিছু লাভ ধরে পণ্যে বিক্রি করি। আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো সঠিক নয়।
উপজেলার সদরের একজন ক্রেতা মাছের আগুন মূল্যে চরম হতাশা প্রকাশ করে বলেন, বাজারের এই অস্থির অবস্থা থামবে কখন?
এক শিক্ষক বলেন, যেহারে নিত্যপন্যের দাম বাড়ছে, এতে আমাদের মতো চাকরিজীবি মানুষকে নিত্যপণ্যে ক্রয় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
অটোরকিশা চালক জাকারিয়া বলেন, নিত্যপণ্যের দাম বাড়লে আর কমতে চায় না। রমজান মাস আসতে না আসতে নিত্যপণ্যের দাম আরাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
সবজি ব্যবসায়ী রাসেল মিয়া বলেন, বেশি দামে সবজি ক্রয় করে আনি,কম দামে বিক্রির করার কোনো সুযোগ নেই।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিতাভ পরাগ তালুকদার বলেন, ইতিমধ্যে মোবাইকোট বাজার করার জন্য টিম মাঠে নামবে বলে তিনি জানান।