প্রচ্ছদ

মা-ছেলে হত্যা মামলার প্রধান আসামি জনি গ্রেফতার

০৪ নভেম্বর ২০১৭, ১৯:২১

280

Sharing is caring!

ঢাকার কাকরাইলে চাঞ্চল্যকর মা ও ছেলে হত্যা মামলার প্রধান আসামি আল আমিন জনিকে (৩৩) গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)। ৪ নভেম্বর শনিবার ভোররাতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে নিহত শামসুন্নাহারের স্বামী আব্দুল করিমের তৃতীয় স্ত্রী শারমিন আক্তার মুক্তার ভাই জনিকে গ্রেফতার করা হয়।

শামসুন্নাহারের ভাই আশরাফ আলীর করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, করিম ও মুক্তার পরিকল্পনায় জনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
গত ১ নভেম্বর বুধবার হত্যাকাণ্ডের পরপরই করিমকে আটকের পর বৃহস্পতিবার মুক্তাকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি জনিকে খোঁজা হচ্ছিল। শনিবার ভোররাতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে জনিকে গ্রেফতারের কথা জানিয়ে র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. এমরানুল হাসান বলেন, ‘হত্যার কথা স্বীকার করেছে আল আমিন। কী কারণে এবং কীভাবে হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে সে আস্তে আস্তে মুখ খুলছে।’ জনিকে গ্রেফতারের বিস্তারিত তুলে ধরে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করবে র‌্যাব।

এদিকে একাধিক বিয়ে আর বিপুল সম্পত্তির ভাগ-ভাটোয়ারার দ্বন্দ্বে রাজধানীর মা-ছেলের হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। নিহত শামসুন্নাহারের স্বামী আবদুল করিমের একাধিক বাড়ি থাকলেও তৃতীয় স্ত্রী শারমিন মুক্তা থাকতেন ভাড়া বাসায়। নিহতের স্বজনেরা জানিয়েছেন, সর্বশেষ তিন দিন আগেও স্বামীর মালিকানাধীন বাড়িতে ওঠার তৎপরতা চালিয়েছিলেন মুক্তা। প্রতিবেশীদের দাবি, এর আগে তিন দফায় একই চেষ্টা চালিয়েছেন তিনি।
১ নভেম্বর বুধবার রাতে কাকরাইল রাজমণি সিনেমা হলের পাশে তমা কনস্ট্রাকশন ভবনের পশ্চিমের গলির ৭৯/১ নম্বর বাড়ির পঞ্চম তলায় খুন হন আবদুল করিমের প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহার (৪৮) ও তার ১৭ বছর বয়সী ‘ও’ লেভেল পড়ুয়া ছেলে শাওন। শামসুন্নাহারের অন্য দুই ছেলে অনিক (২২) ও মুন্না (২০) বর্তমানে ব্যারিস্টারি পড়ার জন্য লন্ডনে রয়েছেন।
বুধবার সন্ধ্যায় ওই বাড়ির দারোয়ানকে পঞ্চম তলায় ‘গোলমাল হচ্ছে’ জানিয়ে এক যুবক বেরিয়ে যাওয়ার পর উপরে গিয়ে মা এবং ছেলের লাশ পাওয়া যায়।

  •  
  •  
  •  

আর্কাইভ

November 2017
S S M T W T F
« Aug   Dec »
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930  
shares