সিলেট ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২২শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৮:০৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
জৈন্তাপুর উপজেলায় ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের টি.আর প্রথম পর্যায়ে বরাদ্দ কাজ না করে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে চারিকাটা ইউপির মহিলা সদস্য তুলন রানী দাশের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের টি.আর প্রথম পর্যায় নিশ্চিন্তপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হইতে বটতলা বাজার পর্যন্ত ”রাস্তা পুনঃনির্মাণ প্রকল্প” কাজের বিপরীতে ৪০ হাজার টাকা এবং লালাখাল চা-বাগানের বংকর বাড়ী সীমানা হইতে বিছাল মেম্বারের বাড়ির সীমনা পর্যন্ত রাস্তার পুনঃনির্মাণ প্রকল্পের ৪২ হাজার টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অগ্রিম বরাদ্দ প্রদান করেন। বরাদ্ধের টাকা উত্তোলনের পর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও ইউপি সদস্য তুলনা রানী প্রকল্পের কোন কাজ করেনি।
উক্ত প্রকল্পের কাজ না হওয়ায় এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে চলতি বছরের ২৪এপ্রিল লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
পরবর্তীতে ১৪ জুলাই জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ জানান। লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে সরজমিনে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেন। আর প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা চারিকাটা ইউপি চেয়ারম্যানকে সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেন। ইতোপূর্বে তুলন রানী সেলিম বাবুর বাড়ীর সম্মুখ হইতে অনুরোধ এর বাড়ী পর্যন্ত প্রকল্পের ৮মে.টন বরাদ্দের কাজে অনিয়ম দেখা দিলে প্রকল্প কর্মকর্তা তাৎক্ষনিক ভাবে ৪টন ফেরত নেন। এছাড়া দক্ষিণ কামরাঙ্গীখেল আব্দুল্লাহ মাষ্টারের বাড়ী সামনা হইতে সিলাই নদীর মুখ পর্যন্ত ৮টন বরাদ্ধের কাজে অনিয়ম দেখা দিলে ২মে.টন বরাদ্দ ফেরত নেয় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। এলাকাবাসীর দাবী অবিলম্বে ২টি কাজের সুষ্ঠু তদন্তের দাবী জানান।
অপরদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ কারার কারনে ইউপি সদস্য তাদের বিরুদ্ধে জৈন্তাপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
কাজের অনিয়ম বিষয় জানতে ইউপি সদস্য তুলনা রানীর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, আমি সব কয়েকটি প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে করেছি। কিন্তু কিছু ব্যক্তি আমাকে যন্ত্রনা দিয়ে অতিষ্ট করে তুলার কারনে আমি জৈন্তাপুর থানায় তাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।
এবিষয়ে চারিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল প্রতিবেদককে জানান, আমি কাজের তদন্ত রিপোর্ট কিছু দিনের মধ্যে প্রকল্প কর্মকর্তার নিকট দাখিল করব।
এব্যপারে প্রকল্প বাস্তাবায়ন কার্যালয়ের প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন বলেন, প্রকল্পের টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ পাওয়ার পরই বিষয়টি তদন্তের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd