সিলেট ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২২শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১০:০০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
সিলেটের জৈন্তাপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক টেন্ডারের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় কিংবা প্রশাসনিক ভবনের ক্ষতি সাধিত হচ্ছে বা ভবন নির্মাণ করা হবে সেই স্থানের গাছ টেন্ডারের মাধ্যমে কর্তনের কথা থাকলেও সিন্ডিকেট যে সকল গাছে ক্ষতি সাধন হচ্ছে না এসব জীবিত গাছ নামমাত্র মূল্যে বিক্রয় করা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার প্রবেশ মূখে বাম পার্শ্ব হতে ৪টি গাছ, উপজেলা চেয়ারম্যান অফিস সংলগ্ন স্থান হতে ৩টি, বিয়াম স্কুল সংলগ্ন স্থান হতে ১টি, সমাজসেবা অফিসের সম্মুখ হতে ১টি সহ নির্মাণাধীন কৃষি ভবনের সন্নিকট হতে ৩টি গাছ কর্তন করা হয়। এনিয়ে জৈন্তাপুর সচেতন মহলে চলছে আলোচনা সমালোচনা। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, গাছ কর্তনের আগে উপজেলা কমপ্লেক্স এরিয়ায় যে সকল গাছ মরে গেছে এবং জনসাধারনে ক্ষতির সম্মুখিন হতে পারে সে সকল গাছ কর্তন না করে উপজেলা কে সবুজ ছায়ায় রেখেছে যে সকল বড় বড় জীবিত গাছ যাহা প্রশাসনিক ভবনের ক্ষতি সাধিত হবে না সেগুলো সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে ৫৬হাজার টাকায় বিক্রয় করা হয়। অতচঃ সিন্ডিকেট চক্র সেই ১৪টি গাছ ঘন্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় নিলামে ১লক্ষ ৬০হাজার টাকায় বিক্রি করে।
টেন্ডার কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী রমেন্দ্র হোম চৌধুরী সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি নাম মাত্র কমিটির সদস্য সচিব। যা কিছু হয়েছে সব কিছুই উপজেলা নির্বাহী স্যারের মাধ্যমে হয়েছে, এর বেশি আমার জানা নেই।
জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ বলেন, টেন্ডার মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের যে সকল গাছ মরে যাচ্ছে এবং প্রশাসনিক ভবনের ক্ষতি সাধন হবে এছাড়া জনসাধারন চলাচলের ক্ষতি সাধিত হবে সেই গাছ চিহ্নিত করে অপেন টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয় করার কথা। আমি অসুস্থ্য থাকার কারনে এবিষয়ে আমি কিছুই জানি না। সরজমিনে এসে যখন দেখলাম মৃত গাছ ও প্রশাসনিক ভবন, জসনাধারননের ভবনের ক্ষতি সাধনকারী এমন গাছ গুলো রেখে জীবিত গাছ টেন্ডার দিয়েছেন। বিষয়টি উদ্দেশ্য হীন বলে আমি মনে করছি। উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে এঘটনার তদন্তের দাবী জানাই।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd