সিলেট ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২২শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৫:৫৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯
কুমিল্লা প্রতিনিধি :: কুমিল্লা জেলার মোহনা থানাধীন নজরপুর পাখালিয়া গ্রামে পরকীয়ার জেরে বাদল মিয়া নামক এক ব্যাক্তিকে ছুরিকাঘাতে খুন করা করা হয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা জেলার মোহনা থানাধীন নজরপুর পাখালিয়া গ্রামের মৃত রফিক মিয়া ধন এর মেয়ে শাবানা আক্তার হেপীকে ২০০৫ সালে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক মনির হোসেনের সহিত বিবাহ দেন। আকরাম ডুবেল ব্যবসায়ী সূত্রে শাবানা আক্তার হেপীর স্বামীর সহিত পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ের সুবাদে আকরাম ডুবেল প্রায়ই শাবানা আক্তার হেপীর স্বামীর বাড়ীতে যাওয়া আসা করিত এবং গোপনে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক গড়িয়া তুলে। শাবানা আক্তার হেপীর স্বামী মনির হোসেন বিগত ০৫/০৮/২০১৮ইং তারিখ মৃত্যুবরণ করায় শাবানা আক্তার হেপীর ডুবেলের অবৈধ সম্পর্ক আরও গভীর হতে থাকে। একপর্যায়ে আকরাম ডুবেল বিগত ১০/০৯/২০১৯ইং তারিখ শাবানা আক্তার হেপীকে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিবাহ করে এবং ঐদিন রাত অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় তাহারা পালিয়ে যাওয়ার প্রাক্ষালে আসামপুর গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে বাদল মিয়া ও নজরপুর গ্রামের আবুল মিয়া তাহাদেরকে বাঁধা প্রদান করিলে তাহাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি সৃষ্টি হয়।
উক্ত ধস্তাধস্তির প্রেক্ষিতে নজরপুর পাখালিয়াকান্দি গ্রামের মৃত রফিক মিয়া ধন এর মেয়ে শাবানা আক্তার হেপী এর সহযোগীতায় আকরাম ডুবেল চাকু দিয়ে বাদল মিয়াকে এলোপাথাড়ী আঘাত করেন। এসময় বাদল মিয়া সাথে সাথে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তখন বাদল মিয়ার বন্ধু চিৎকার করিলে আফজল আহমদ ও আকরাম ডুবেল ও শাবানা আক্তার হেপী একটি মাইক্রোবাস যোগে চলে যায়। পরবর্তীতে আশ পাশের লোকজন রক্তাক্ত অবস্তায় বাদল মিয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াকালে পথিমধ্যে বাদল মিয়া মৃত্যু হয়।
পরদিন বাদল মিয়ার পিতা বাদী হয়ে আকরাম ডুবেল ও শাবানা আক্তার হেপীকে আসামী করে মোহনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ১৭, তাং- ১১/০৯/২০১৯ইংরেজী, ধারা- ৩০২/৩৪ দঃ বিঃ। এ বিষয়ে থানার ওসি মোঃ মুরসালিন সাংবাদিকদের জানান, আসামীরা ঘটনার পর হইতে আত্মগোপন রয়েছে। তাহাদেরকে শিঘ্রই গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হবে। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd