সিলেট ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৩শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:৩১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২০, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় বিয়ের ১৬ দিনের মাথায় আগুনে দগ্ধ হয়ে রেছনা বেগম (২৩) নামের এক নারীর মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী আবদুল মালিককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করা হচ্ছে। রেছনা বেগম বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের দ্বীপবন্দ বিলপাড় গ্রামের আবদুল মালিকের (৩৪) স্ত্রী ও অলংকারী ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের আবদুশ শহীদ সরকারের মেয়ে। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি পারিবারিকভাবে আবদুল মালিকের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। রেছনার পরিবারের অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতনের পর তাঁকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। এরই মধ্যে পুলিশ আবদুল মালিককে সন্দেহভাজন হিসেবে (৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে) সোমবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার বিকেলের দিকে স্বামীর বাড়িতে আগুনে দগ্ধ হন রেছনা বেগম। প্রতিবেশীরা তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে, আবদুল মালিকের পরিবারের দাবি, ঘটনার দিন সকালে আবদুল মালিক বাড়ি ছিলেন না। তাঁর বড় ভাইয়ের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য সিলেটের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। পরিবারের অন্য সদস্যরাও সঙ্গে ছিলেন। ওই সময় ঘরে ছিলেন শুধু রেছনা ও আবদুল মালিকের আট বছর বয়সী এক ভাগনি। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে রান্নাঘর থেকে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা গিয়ে রেছনাকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন। রেছনার চাচা আবদুল সাত্তারের অভিযোগ, রেছনাকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে আগুনে পুড়িয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনায় দ্রুত মামলা করা হবে। আবদুল মালিককে জেলহাজতে পাঠানোর সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, রেছনার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবারটির পক্ষ থেকে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd