সিলেট ৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১৫ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৩:১৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক :: গোয়াইনঘাটে এক ভূয়া ক্লিনিকে একেরপর এক ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নে সালেহা ক্লিনিক একটি অবৈধ ক্লিনিক। এই ক্লিনিকে কোন ডাক্তার নার্স নেই। ওয়ার্ডবয় সালেহা বেগমই তিনি প্রসূতিদের অপচিকিৎসা দিয়ে থাকেন। ওয়ার্ডবয় সালেহা হচ্ছে তোয়াকুল এলাকার কানা ফরিদের স্ত্রী।
আজ সোমবার ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠে। এ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে যান স্থানীয় দুই সাংবাদিক হেলাল আহমদ বাদশা ও হারুন আহমদ। সাংবাদিক দেখার সাথে সাথে খবর দেওয়া হয় সালেহার লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান ফজলুর রহমানকে। সে তার বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে উপস্থিত হয়েই সাংবাদিকদের উপর হামলা চালায় এবং তাদের আটকে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে তাদেরকে ফজলু বাহিনীর কবল থেকে রক্ষা করেন। ফজলুর রহমান তোয়াকুল ইউনিয়নের লাকি উত্তর পশ্চিম পাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব শিকদারের ছেলে।
এ ঘটনায় সাংবাদিকদের পক্ষে থানায় মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নের সালেহা ক্লিনিকের মালিক ওয়ার্ডবয় সালেহার সঙ্গে আলাপ কালে তিনি বলেন আমার স্বামীর সাথে কথা বলেন। এরপর সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে স্বামী সাথে কথা বলা হলে তিনি বলেন আমার আমার হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার আছেন এবং গাইনি চিকিৎসক আছেন। আরএমওর নাম বললেন ডাক্তার রাশেদুর রহমান ও গাইনি মেডামের নাম বললেন নুরে অঞ্জিলা। কোন হাসপাতালের ডাক্তার একথা বলার সাথে সাথে কলটি কেটে দেন। কানা ফরিদ ও ওয়ার্ডবয় সালেহা দীর্ঘদিন থেকে অবৈধভাবে ভূয়া চিকিৎসার নামে গ্রামের সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। ফলে একের পর এক প্রসুতি ও নবজাতকের মৃত্যু হচ্ছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd